
মোঃ রোকনুজ্জামান রোকন,কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি
কুড়িগ্রাম এর ভূরুঙ্গামারীতে পরকীয়ায় জড়িত এক ব্যাক্তি জনতার হাতে আটক হয়েছে।
উপজেলার মইদাম বাজারের টেলিকম ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদ দীর্ঘ দিন থেকেই একই উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড তালুক মশালডাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। উপস্থিত জনতার নিকট জানা যায় আটককৃত ব্যাক্তি অত্র এলাকার মৃত আব্দুর রহমান এর পুত্র। সে পেশায় টেলিকম ব্যবসায়ী। সে একই এলাকার মরহুম বাহাজ উদ্দিন এর পুত্র বাবলু মিয়ার স্ত্রী সুমী খাতুন (৩৫) এর সাথে দীর্ঘদীন ধরে অবৈধ সম্পর্ক চালিয়ে আসছে। বাবলু মিয়া কাজের সুবাদে ঢাকায় থাক টেলিকম ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদ প্রতিবেশী হওয়ায় তার বিকাশে টাকা পাঠায়।পাঠানো টাকা সুমী খাতুন কে দেওয়ার নাম করে প্রায়ই সেই বাড়িতে যাতায়াত করতো নুর মোহাম্মদ। দীর্ঘ দিন যাতায়াত এর মাধ্যমে এভাবেই গড়ে উঠে তাঁদের পরকীয়ার প্রেমের গভীর সম্পর্ক।বিষয়টি এলাকাবাসীর নজরে এলে কয়েকবার এলাকাবাসী তাদেরকে শোধরানোর চেষ্টা করে।তার পরেও তারা থেমে থাকেনি। গতরাত আনুমানিক ১০:৩০ টার দিকে ঝর বৃষ্টির মাঝে নুর মোহাম্মদ অনৈতিক কাজের উদ্দেশ্য সুমি খাতুনের ঘরে প্রবেশ করে এবং বিষয়টি প্রতিবেশি আব্দুল হামিদ ঘটনা বুঝতে পেরে আশেপাশের কয়েকজন কে সাথে নিয়ে সুমি খাতুনের ঘরে প্রবেশ সেখান থেকে হাতেনাতে ওই ব্যাক্তিকে কে আটক করে।ওই সময় এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গণ ধোলাই দিয়ে রশি দিয়ে বেধে রাখে। খবর পেয়ে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের টহল টিম সেখানে গিয়ে রাত ১:৩০ দিকে ভূরুঙ্গামারী থানা হাজতে নিয়ে আসে। প্রেমিকার স্বামী বাবলু মিয়ার সাথে মুঠোফোনে কথা হলে সে জানায় আমি কাজের জন্য বছরের বেশিরভাগ সময় ঢাকায় অবস্থান করি আর এই সুযোগে নুর মোহাম্মদ আমার বউয়ের সাথে অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েছে। আমি এর আগেও আমার স্ত্রীকে সতর্ক করেছিলাম, আমি এর সঠিক বিচার দাবি করছি।এই দুশ্চরিত্র স্ত্রীকে নিয়ে আমি আর সংসার করবো না।
ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি রুহুল আমিন জানান, খবর পেয়ে দায়িত্বরত পুলিশ পাঠিয়ে তাদেরকে তাঁদের কে থানায় এনে আজ শনিবার মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।













