
মোঃ আল ইমরান,স্টাফ রিপোর্টার নেত্রকোনা
নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে সারাদেশের ন্যায় নেত্রকোনার পূর্বধলায় ৪৯টি পূজামণ্ডপে চলছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দূর্গোৎসব।
গত শুক্রবার ১১ অক্টোবর ২০২৪ইং রাত ৮:০০ ঘটিকার সময় নেত্রকোনা পূর্বধলা উপজেলার শ্যামগঞ্জ বাজারে দুটি পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন উম্মে সালমা তানজিয়া বিভাগীয় কমিশনার ময়মনসিংহ বিভাগ। বনানী বিশ্বাস জেলা প্রশাসক নেত্রকোনা জেলা, পূর্বধলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনএ ও মো: খবিরুল আহসান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজনীন আখতার, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রিয়াদ মাহমুদ। মোঃ সাইফুল ইসলাম উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তা, ১১নং গোহালাকান্দা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন ফজল, শ্যামগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ আল ইমরান, কোষাধ্যক্ষ মোঃ সাখাওয়াত হোসেন মামুন সহ প্রেস মিডিয়ার সাংবাদিকগণ।
বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া, জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাস, ইউএনএ মোঃ খবিরুল আহসান শ্যামগঞ্জের রাধা গৌবিন্দ মন্দিরের পূজা মন্ডপে প্রবেশ করলে তাকে শারদীয় শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও পূজার নিয়ম নীতি অনুসরণ করে বরণ করেন, পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্রদাস ও সাধারন সম্পাদক শান্ত চন্দ্রদাস।
পূজা মন্ডপ অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, সকলকে শারদীয় শুভেচ্ছা, মঙ্গলের আনন্দ বার্তা, সকলের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ুক। সকল মানুৃষ সুখে শান্তিতে থাকুক।
জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাস ও সকলকে শারদীয় শুভেচ্ছা জানান। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, অনেক পূজা মন্ডপে বর্তমানে ডিজে গান, নাচ বাজনা হয়। যা একবারেই ঠিক না। পূজার ধর্মীয় বিধি বিদান অনুযায়ী পূজার অনুষ্ঠান পালিত হবে। পূজা মন্ডপে ঢাক ঢোল সাখা এগুলো থাকা প্রয়োজন।
জেলা প্রশাসক প্রশাসক গৌবিন্দ মন্দিরের সভাপতির কাছে শ্যামগঞ্জ সহ পূর্বধলার কোথাও পূজা মন্ডপে সমস্যা আছে কি না জানতে চাইলে কোনো ধরণের সমস্যা না থাকার কথা জানিয়েছেন পূঁজা উদযাপন কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র দাস সহ নেতৃবৃন্দ।
পূর্বধলা উপজেলা পূঁজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি তরুণ কুমার রায়ের কাছে জানতে চাইেল তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে পূঁজার কাজ শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত সর্বদিক পরিস্থিতি শান্ত ও স্বাভাবিক আছে। তরুন কুমার বলেন, উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ প্রশাসন সর্বক্ষণ আমাদের খোঁজ খবর রাখছেন। সরকার আমাদেরকে আর্থিক সহায়তা করেছেন। আগামী ১৩ অক্টোবর বিসর্জন পর্যন্ত আমরা প্রশাসনসহ সকলের সহযোগিতা চাই।





