
শাহরিয়ার রহমান শফি,বিয়ানীবাজার (সিলেট) প্রতিনিধি:
ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচনী ভোটযুদ্ধের অবতীর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র প্রার্থীরা এক কাতারে দাঁড়ানো। আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থী ছাড়াও রয়েছেন তিন বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী। পাশেই দাঁড়িয়ে আছেন বিএনপি ঘরোনার একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীও। যোগ হয়েছেন স্বতন্ত্র আরও ৬জন প্রার্থী। একে অন্যের কাধে হাত রেখে ছবি তুলেছেন। সবাই বেশ হাসিখুশি। তাদের চোখেমুখেও ফুটে উঠছে আনন্দের রেশ।’ এ ছবিটি দেখে সহজেই সম্প্রীতির বন্ধন হিসেবে অনুমেয় করা যায়। বলা যায়, এবারের নির্বাচনে বোধহয় প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে উৎসবমুখর। সকল হিংসা-বিদ্বেষকে উপেক্ষা করে বিয়ানীবাজার পৌরসভার উন্নয়নে যেন সবাই এক কাতারে দাঁড়িয়েছেন। আর সাধারণ ভোটাররাও তো ঠিক এমনটাই চায়। তারা বলছেন, এমন সম্প্রীতি যেন বিয়ানীবাজারে যুগ যুগ অটুট থাকে। বিয়ানীবাজার পৌরসভার দ্বিতীয় সাধারণ নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারীদের যাচাই বাচাইয়ের পূর্বে উপজেলা প্রাঙ্গনে উপস্থিত ১০জন প্রার্থীর এমন একটি হাস্যোজ্জ্বল একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ছবিটি ভাইরালের পর সামাজিক মাধ্যমগুলোতে স্থানীয় প্রার্থীরা সৌহার্দ্যতাপূর্ণ এমন আচরণে প্রশংসায় ভাসছেন। ছবিতে উপস্থিত প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র প্রার্থীরা হচ্ছেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. আব্দুস শুকুর, কমিউনিস্ট পার্টি মনোনীত এডভোকেট আবুল কাশেম, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুছ টিটু ও জিএস ফারুকুল হক, স্বতন্ত্র প্রার্থী অজি উদ্দিন, বিএনপি ঘরোণার স্বতন্ত্র আবু নাসের পিন্টু, মাসুক আহমদ, আব্দুস সবুর, আহবাব হোসেন সাজু ও প্রভাষক আব্দুস সামাদ আজাদ। তবে এই ছবিতে অনুপস্থিত থাকা অন্য দুই মেয়র প্রার্থী হলেন- সাবেক পৌর প্রশাসক স্বতন্ত্র প্রার্থী তফজ্জুল হোসেন ও জাতীয় পার্টির মনোনীত দলীয় প্রার্থী মো:সুনাম উদ্দিন। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইকালে উপজেলা নির্বাচন অফিসসহ উপজেলা প্রাঙ্গনে আসা প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থক ও শুভাকাঙ্খীদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার পর সকল শ্রেণীপেশার ভোটারদের সহযোগিতা চেয়েছেন সকল মেয়র প্রার্থীরা। উল্লেখ্য, ২০০১ সালের ২ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত বিয়ানীবাজার পৌরসভার দ্বিতীয় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৫ই জুন। ওইদিন পৌরসভার ২৭ হাজার ৭৯০জন ভোটার ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর মাধ্যমে তাদের পছন্দের নতুন পৌরপিতা নির্বাচিত করবেন।





