
এস এম তারেক রহমান,স্টাফ রিপোর্টার বাউফল পটুয়াখালী
রোজার শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে টুপি আতরের দোকান। নতুন টুপি মাথায় দিয়ে, গায়ে সুগন্ধি মেখে ঈদের নামাজ আদায় করা সকল মুসলমানদের কাছে এক অন্যরকম আবেগ ও অনুভূতি।
বাউফল পৌরসভার বিভিন্ন মার্কেটের সামনে ও রাস্তার ফুটপাতে অস্থায়ীভাবে বসেছে টুপি ও আতরের দোকান। দেশি-বিদেশ নানা রঙের টুপি ও আতরের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। বিভিন্ন বয়সের মানুষেরা বিশেষ করে শিশুরা যার যার পছন্দ মত কিনে নিচ্ছেন নতুন টুপি আর আতর। শেষ মুহূর্তে সকল কেনাকাটা সেরে সকলে ভিড় জমাচ্ছেন টুপি ও আতরের দোকানে। যে যার পছন্দ মতো বিভিন্ন দোকান ঘুরে সাধ্যের মধ্যে ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন টুপি ও আতর। বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা গেছে সর্বনিম্ন ২০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা দামের টুপি বিক্রি করছেন দোকানিরা। এর সাথে বিভিন্ন দামের দেশি-বিদেশি আতর বিক্রি করছেন তারা। বাউফল বাজারের টং ঘরে অস্থায়ীভাবে দীর্ঘদিন যাবত টুপি আতরের ব্যবসা করছেন বিদায় বেলা স্টোরের মালিক হাফেজ মোঃ মাসুদ। তিনি বলেন রোজার প্রথমদিকে দিনে এক থেকে দুই হাজার টাকা বেচা বিক্রি করেছি। কিন্তু গতকাল থেকে বেচা বিক্রি বেড়েছে। রোজার শেষের দিকে এবং ঈদের আগমুহূর্তে এই সময়টায় প্রতিবছরে টুপি আতরের চাহিদা বেশিই থাকে। গতকালকে পাঁচ হাজার টাকা বিক্রি করেছি। আশা করি আজকে বেচা বিক্রি আরো ভালো হবে।
জালাল প্লাজা মার্কেটের সামনে রোজার প্রথম দিন থেকে টুপি ও আতরের ভাসমান দোকান নিয়ে বসছেন মোঃ মোসলেম। তিনি বলেন আমার দোকানে বিশ টাকা থেকে শুরু করে পাঁচশত টাকা পর্যন্ত টুপি পাওয়া যায়। তিনি আরো বলেন আমার দোকানে বিভিন্ন দেশে-বিদেশি আতর ও পাওয়া যায়। তবে এ বছর বেচা বিক্রি খারাপ না ভালো। এছাড়াও ভ্রাম্যমান ভ্যান গাড়িতে টুপি ও আতর বিক্রি করতে দেখা গেছে। বয়স্কদের পাশাপাশি যুবক ও শিশুরাই বেশি কিনছেন নতুন টুপি।










