একদিকে তীব্র দাবদাহ অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড় “মোখার” আতঙ্কে বাউফলের জনগণ

0
69

তারেক রহমান প্রিন্স,স্টাফ রিপোর্টার বাউফল পটুয়াখালী

কয়েকদিন যাবত বাউফলে তীব্র তাপ প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। একদিনের তাপমাত্রা আরেক দিনের তাপমাত্রা কে হারিয়ে দিচ্ছে। এযেন তাপমাত্রার এক অসম প্রতিযোগিতা। দেশের সব অঞ্চলে কম বেশি বৃষ্টিপাত হলেও বাউফলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ খুবই কম। যার কারনে এ বছর বাউফলে তীব্র গরম অনুভূত হচ্ছে। কাঠফাটা রোদে দুঃসহ হয়ে উঠেছে জনজীবন। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে অসহনীয় গরমের তীব্রতা।

ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। গরমে হাঁসফাঁস করছে মানুষ। বিশেষ করে দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষের অবস্থা খুবই শোচনীয়। কাজের জন্য রাস্তায় বের হওয়া দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে। তীব্র গরম থেকে রেহাই পেতে কেউ গাছের ছায়ায়, আবার কেউ নদী, খাল ও পুকুরে গোসল করে একটু স্বস্তি খুঁজে বেড়াচ্ছেন। এই তীব্র গরমের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিতে যোগ হয়েছে বিদ্যুতের লুকোচুরি। প্রতিদিনই কম বেশি হচ্ছে বিদ্যুতের লোডশেডি়ং। বিশেষ করে গ্রাম অঞ্চলে বিদ্যুতের লোডশেডিং এর অবস্থা খুবই ভয়ানক। গ্রাম অঞ্চলে বিদ্যুৎ থাকে না বললেই চলে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানান এপ্রিল ও মে মাস দেশের উষ্ণ মাস। এই দুই মাসে বৃষ্টি কম হয়। যার কারণেই এখন গরম বেশি। মে মাসের শুরুতে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হলেও কয়েকদিন পর্যন্ত বৃষ্টি না হওয়ায় তাপমাত্রার পরিমাণ বেশি। ভারী বর্ষণ না হওয়া পর্যন্ত তাপমাত্রা কমবেনা।

এদিকে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় “মোখার” আতঙ্কে দিন যাপন করছে উপজেলার সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে নদী তীরবর্তী উপকূলের মানুষ ও জেলেরা ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন। যেকোনো ঝড়, জলোচ্ছ্বাস কিংবা বন্যা হলে এসব মানুষেরা কম বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। ঘূর্ণিঝড় হলে ঘরবাড়ি, গবাদি পশু ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে তারা চিন্তিত। তারপরও উপকূলের এসব মানুষেরা বলছেন, বিগত কয়েকটি ঘূর্ণিঝড়ে সরকারের ব্যাপক প্রস্তুতি ও প্রচার প্রচারণার ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কম হয়েছে। এবারও সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের তৎপরতায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কম হবে এটাই আমাদের বিশ্বাস।


একদিকে তীব্র দাবদাহ অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড় “মোখার” আতঙ্কে বাউফলের জনগণ

Share this news as a Photo Card

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here