এনজিওর সুযোগ-সুবিধা কি আদৌও পাচ্ছে উখিয়ার স্থানীয় মানুষরা

0
189

প্রসেনজিত বড়ুয়া, উখিয়া কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজার জেলা উখিয়া উপজেলায় রয়েছে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা আর রোহিঙ্গাদের সাথে কাজ করে শত শত এনজিও। যেই প্রজেক্ট শেষ হয় সেই আরেকটা নতুন প্রজেক্টর চলে আসে রোহিঙ্গাদের জন্য, এক কথায় বলা যায় রোহিঙ্গারা পায়ের উপর পা দিয়ে চলতেছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গারা যেন একেকটা রাজা আর রোহিঙ্গাদের এই মনমানসিকতা তৈরি করার মূল কারিগর এনজিও এমনটাই ধারণা করছে স্থানীয় সচেতন মহল।

স্থানীয় জনগণ যেন এনজিওদের জন্য ফকির, এনজিওদের কাজ কারবার – চলাফেরা ও ব্যবহারে এমনটাই বোঝা যায়। উখিয়ার স্থানীয় মানুষরা নিজেদের মাথা গোছার জায়গাটুকু দিয়ে দিয়েছে রোহিঙ্গাদের মানবতা দেখিয়ে, শত শত মানুষের জীবন নির্বাহ করার শেষ সম্বল ছিল আজকের রোহিঙ্গা ক্যাম্প, স্থানীয়রা ঐই জায়গায় নানা রকম চাষ করে নিজেদের জীবন চালাত আর রোহিঙ্গারা আসার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ যথাযথ পালনের জন্য ঐই জায়গাটুকু দিয়ে দিয়েছে রোহিঙ্গাদের।

আর এখন এনজিও গুলো উড়ে এসে জুড়ে বসে নিজেদের আয়ত্তে নিয়ে নিয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প। এনজিওদের সাথে সরকারের কথা ছিল এনজিওরা রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি স্থানীয়দের সাথেও কাজ করবে তবে বাস্তবতা কি আদৌও কি স্থানীয়দের এনজিওরা যথাযথ সুযোগ – সুবিধা দিচ্ছে?

তার মধ্যে তো স্থানীয়রা চাকরি পর্যন্ত পাই না রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরি থেকে যদি চাটাই করা হয় আর সেখানে অল্প যেই কতগুলো স্থানীয় চাকরি করে সেখান থেকেই চাটাই করে দেই এনজিওর কর্তারা। এনজিওর প্রভাব শালী কর্তারা স্থানীয়দের চাটাই করে উত্তরবঙ্গ থেকে তাদের আত্মীয় – স্বজন এনে স্বজনপিরিত দেখিয়ে উত্তরবঙ্গের লোকজন অর্থাত এনজিও প্রভাব শালী কর্তাদের আত্মীয় – স্বজন এনে চাকরি দিয়ে দেই এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় শিক্ষিত ভুক্তভোগীদের।

আর যে হাতে গোনা কয়েকটি এনজিও স্থানীয়দের সাথে কাজ করার যেন আসে তাদের মনমানসিকতা দেখে মনে হয় তারা চাপে পড়ে নিজের অ-ইচ্ছায় এসেছে কারণ তারা এসে ঘুরে-ফিরে দেখে কয়েকটা মেটিং করে তারপর সবার থেকে একটি করে সাক্ষর নিয়ে নেন তারপর চলে যায় এভাবে কয়েকটা মেটিং করে আবার উধাও হয়ে যায় এনজিও গুলো।

কয়েকদিন আগে একটা এনজিও এসে ( নিজের জীবন রক্ষার্থে এনজিওর নামটা উল্লেখ করলাম না ) দুইজন এনজিওর লোক আসে একজন ছেলে একজন মেয়ে তারা আসে উখিয়া কোটবাজার মধ্যরত্না বড়ুয়া পাড়া নামক এলাকায় এসে কয়েকজন মহিলা ডেকে এনে একটা মেটিং করে আর ঐই জায়গায় যতগুলো মানুষ ছিল সবাইকে একটা একটা মাক্স দিয়ে মাক্স নেওয়া মানুষদের কিছু তথ্য নেন যেমন নিজের নাম, নিজের পিতার নাম তারপর একটা একটা করে সাক্ষর নিয়ে চলে যায় তবে আদৌও তারা এটা নিয়ে কি করবে কেউ জানে না। একটা মাক্স নিয়ে নিজের তথ্য ও সাক্ষর দিতে হয় এমনটা আগে কখনো ঘটেছে কিনা আমার জানা নেই, ধারণা করা হচ্ছে তারা এই সাক্ষরের মাধ্যমে হাতিয়ে নিতে পারে অনেক টাকা আর এনজিওর বড় কর্তাদের বড় টাকার হিসেব দেওয়ার জন্য এই সাক্ষর নেন সম্ভবত।

এনজিওদের দেখবাল করার দায়িত্বরত মহলের লোকজন যদি সঠিক ভাবে তদন্ত করে তাহলে নিশ্চয়ই এর নাটকীয়তার সমাপ্তি করতে পারবে।

দিন শেষে স্থানীয়রা কিছুই পাই না


এনজিওর সুযোগ-সুবিধা কি আদৌও পাচ্ছে উখিয়ার স্থানীয় মানুষরা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here