গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডির স্ত্রীর দায় স্বীকার

0
22

অনলাইন ডেস্ক

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সাফিকুর রহমানের বাসায় শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতন করার বর্ণনা দিয়ে আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন সাফিকুরের স্ত্রী বীথি। আজ শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসমাইল হোসেনের খাস কামরায় জবানবন্দি দেন বীথি।

রিমান্ড শেষে বীথিকে আদালতে হাজির করে উত্তরা থানা-পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রুবেল মিয়া তাঁর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার আবেদন করেন। বিচারক তাঁর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি বীথিকে ৭ দিনের রিমান্ড নেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। পরে তাঁকে কারাগার থেকে রিমান্ডে নেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, ১ ফেব্রুয়ারি ১১ বছরের শিশু গৃহকর্মীর বাবা গোলাম মোস্তফা উত্তরা পশ্চিম থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলায় সাফিকুর রহমান এবং তাঁর স্ত্রী বীথি, বাসার দুই গৃহকর্মী রূপালী খাতুন ও সুফিয়া বেগমকে আসামি করা হয়। মামলা দায়েরের পর ২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে তিনটার দিকে উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টরের বাসা থেকে আসামিদের গ্রেপ্তার করে উত্তরা পশ্চিম থানা-পুলিশ। পরে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সাফিকুর, তাঁর স্ত্রী বীথিসহ চারজনকে কারাগারে পাঠানো হয়।

প্রসঙ্গত, ১ ফেব্রুয়ারি ১১ বছরের শিশু গৃহকর্মীর বাবা গোলাম মোস্তফা উত্তরা পশ্চিম থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলায় সাফিকুর রহমান এবং তাঁর স্ত্রী বীথি, বাসার দুই গৃহকর্মী রূপালী খাতুন ও সুফিয়া বেগমকে আসামি করা হয়। মামলা দায়েরের পর ২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে তিনটার দিকে উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টরের বাসা থেকে আসামিদের গ্রেপ্তার করে উত্তরা পশ্চিম থানা-পুলিশ। পরে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সাফিকুর, তাঁর স্ত্রী বীথিসহ চারজনকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টরে সাফিকুর রহমানের বাসা। ওই বাসার নিরাপত্তা কর্মী জাহাঙ্গীরের সঙ্গে যোগাযোগ হওয়ার পর মেয়ের বিয়েসহ যাবতীয় খরচ বহনের প্রতিশ্রুতি পেয়ে বাবা গোলাম মোস্তফা গত বছরের জুনে তাঁর মেয়েকে ওই বাসায় কাজে পাঠান। সর্বশেষ গত বছরের ২ নভেম্বর ওই বাসায় গিয়ে মেয়েকে দেখে আসেন তিনি। এরপর আর তাকে পরিবারের কারও সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে মামলায়। সেখানে বলা হয়, ৩১ জানুয়ারি বীথি ফোন করে মোস্তফাকে জানান, তাঁর মেয়ে অসুস্থ, তাকে যেন নিয়ে যাওয়া হয়। পরে মেয়েকে আনতে যান গোলাম মোস্তফা। সন্ধ্যা ৭টার দিকে গোলাম মোস্তফার কাছে মেয়েকে বুঝিয়ে দেন বীথি।

মোস্তফা মামলায় বলেছেন, তখনই তিনি মেয়ের দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম দেখতে পান। তাঁর মেয়ে ভালোভাবে কথাও বলতে পারছিল না। কারণ জিজ্ঞাসা করলে বীথি এর সদুত্তর দিতে পারেননি। পরে শিশুকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান মোস্তফা। মেয়ে তাঁকে জানায়, ওই বাসায় বিভিন্ন সময়ে তার ওপর নির্যাতন করা হয়েছে। তাকে মারধর করার পাশাপাশি খুন্তি গরম করে শরীরে ছ্যাঁকাও দেওয়া হয়েছে।


গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডির স্ত্রীর দায় স্বীকার

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here