
লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি
আসন্ন লালমোহন পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা বাড়ছে। ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ, সামাজিক কর্মকাণ্ড ও জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। এরই ধারাবাহিকতায় ১১নং ওয়ার্ডেও বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া।
এই ওয়ার্ডে সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন তরুণ সমাজসেবক, ব্যবসায়ী ও ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফরিদুল ইসলাম। দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে তাকে নিয়ে আলোচনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, “আমি এ মাটির সন্তান, এলাকার মানুষের জোর অনুরোধ এবং নিজের দায়বদ্ধতা থেকেই সমাজসেবায় এগিয়ে এসেছি। ঢাকা কেন্দ্রীয় কলেজে অধ্যয়নকাল থেকেই শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে আসছি। ছাত্রজীবনে ঢাকাস্থ লালমোহন থানা ছাত্র-ছাত্রী কল্যাণ সমিতি ও জাতীয়তাবাদী ছাত্র ফোরামের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে সমাজসেবার প্রতি আরও অনুপ্রেরণা পেয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “পড়াশোনা শেষে লালমোহনে ব্যবসার পাশাপাশি এলাকার যেকোনো ইতিবাচক ও জনকল্যাণমূলক কাজে আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসার চেষ্টা করি। এলাকার মানুষ আমার আপনজন। তারা যদি আমাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার সুযোগ দেন, তাহলে তাদের আস্থা, মর্যাদা ও মান অক্ষুণ্ন রাখার জন্য সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দিয়ে কাজ করব, ইনশাআল্লাহ।”
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, ফরিদুল ইসলাম একজন শিক্ষিত, সজ্জন, পরিচ্ছন্ন ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় তরুণ। বিভিন্ন বয়সী মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে। তাদের মতে, এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কারণে তাকে নিয়ে ১১নং ওয়ার্ডে আলোচনা রয়েছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সামাজিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তরুণদের সম্পৃক্ত করা, মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকার ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কারণে মো. ফরিদুল ইসলামকে নিয়ে ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। নির্বাচনী তৎপরতা যত এগোচ্ছে, তার প্রার্থিতা নিয়েও স্থানীয় পর্যায়ে আগ্রহ বাড়ছে।













