
ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপজেলা প্রতিনিধি:
২০১৭ সালে খুন হয়েছে হাফেজ সাহাদুল্লাহ রহঃ, কিন্তু মামলা চলমান থাকলেও আজও পর্যন্ত কোন রায় হয় নাই খুনিদের বিচারের ব্যাপারে, স্থানীয় সূত্রে জানা যায় ২০১৭ সালের রমজান মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের উরশীউড়া গ্রামের শ্রী শ্রী কানাচান সন্ন্যাসী মন্দিরের মাঠে ক্রিকেট খেলা নিয়ে মাহবুব ও রুহুল আমীনের সঙ্গে বাকবিতন্ডা হয়।
এ ঘটনা স্থানীয়দের সমাধান হলেও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে, পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ঈদের পরের দিন ২৭ জুন মঙ্গলবার সকালে তার চানমিয়ার বাড়ির বখাটে ছেলেদের নিয়ে মাহবুব এর উপর হামলা চালায়,
খবর পেয়ে মাহবুবের বাড়ির লোকজন ফেরাতে গেলে একে একে তাদেরকেও হামলা চালায় চানমিয়ার বাড়ির বখাটে ছেলেরা, এতে মাহবুবের চাচাতো চাচা নিয়াজ মোহাম্মদ ও হাফেজ সাহাদুল্লাহ রহঃ আহত হন, চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর হাফেজ সাহাদুল্লাহ রহঃ এর অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা রেফার করা হয়, ঢাকা এলিফ্যান্ট রোড হাসপাতালে ২ চিকিৎসার পর ২৯ জুন বৃহস্পতিবার রাতে সে মৃত্যুবরণ করে ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তাঁর এই আকষ্মিক মৃত্যুতে হাজারী বংশ ও উরশীউড়া এলাকায় শোকের ছায়া পড়ে যায়।
তখন তাঁর চাচাতো ভাই মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে হুমায়ুন মোল্লা পিতা নূরে আলম, মুত্তালিব পিতা আসিদ মিয়া ফরহাদ পিতা ইদ্রিস মিয়া রুহুল আমীন পিতা মুত্তালিব গংদের আসামি করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন, কিন্তু ঘটনার ৪ বছর পার হয়ে গেলেও আজও পর্যন্ত কোন রায় হয় নাই, হুমায়ূন মোল্লা ও মুত্তালিব কে গ্রেফতার করা হলেও আবার জামিন দেওয়া গেলে থানা থেকে মামলা পি বি আই নেওয়া হয়।
এলাকাবাসীর বক্তব্য হাফেজ সাহাদুল্লাহ শুধু একজন ছেলে ছিলেন না,তিনি ছিলেন আমাদের এলাকার বড় একটি স্বপ্ন, তার চলাফেরা আচার আচরণ ভবিষ্যতে এলাকার বড় কোন কিছু হওয়ার আভাস পাওয়া যেত, তাঁকে হত্যা করে আমাদের স্বপ্ন কে ভেঙে দেওয়া হয়েছে, আমরা এর উপযুক্ত বিচার চাই।
তার খুনিদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমাদের চেষ্টা চালিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।
কোন একদিন খুনিদের বিচার হতেই হবে।
বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হাল ছাড়ব না ইনশাআল্লাহ।
আমরা সরকার প্রশাসন ও এলাকার নেতৃবৃন্দের কাছে এমন বিচার আশা করি যাতে ভবিষ্যতে কেউ মানুষ হত্যার সাহস না পায়।





