
মোঃ নাঈম বিল্লাহ,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:
বরগুনার আমতলীর ইউনুস আলী খান ডিগ্রী কলেজের ভবনের মধ্যে প্রতিষ্ঠার কার্যালয় করে একটি কক্ষ দখল রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, উপজেলা গুলিশাখালী ইউনিয়নের ইউনুস আলী খান ডিগ্রী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. ইউনুস আলী খান ২০১৯ সালে অবসরে যান। অবসরে যাওয়ার পর তিনি কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি হন। তখন কলেজের ৪র্থ তলা ভবনের ৩য় তালায় একটি কক্ষ দখল করে সেখানে সভাপতির কার্যালয় লিখে এলাকার সালিস বিচার ব্যবস্থা ব্যবস্থা করেন। সভাপতির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিন উক্ত কক্ষে প্রতিষ্ঠাতার কার্যালয় লিখে তার পারিবারিক ও এলাকার সালিস বিচার ব্যবস্থা করেন।
৪র্থ তলা সরকারী ভবনের ৩য় তলায় অৈেবধ ভাবে সাবেক অধ্যক্ষ ইউনুস আলী খান কক্ষ দখল রাখায় শিক্ষার্থীদের ৩য় তলা ও ৪র্থ পড়াশুনায় মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে বলে শিক্ষার্থীরা জানান।কলেজের সিনিয়র শিক্ষক মো. দলিল উদ্দিন বলেন, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষর দায়িত্বে ছিলাম সাবেক অধ্যক্ষ মো. ইউনুস আলী কলেজের কাগজ আমার কাছে প্রদান করেনি। শুধু হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করা ছাড়া আমাকে কলেজের কোন কাজ করতে দেয়নি। কলেজের গুরুত্বপূর্ন নথিপত্র তার কাছে। তিনি অবসরে যাওয়ার প্রথমে সভাপতি লিখে বর্তমানে প্রতিষ্ঠার কার্যালয় লিখে একটি রুম ব্যবহার করেন। অথচ কলেজের শিক্ষকরা বসেন একটি ভাঙ্গাচুরা টিনশেড ভবনে। বর্তমানে তিনি জামাতপন্থী বলে পরিচিত মো. জাকারিয়াকে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষর দায়িত্বে দিয়েছেন। তাকে স্থায়ী অধ্যক্ষ নিয়োগের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। কিন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্কুলার মতে এসএসসি থেকে মার্ষ্টাস পর্যন্ত তৃতীয় বিভাগ থাকলে কলেজের অধ্যক্ষ হওয়া যাবেনা। মো.জাকারিয়ার ডিগ্রী পাস পরীক্ষায় তৃতীয় বিভিাগ রয়েছে। সেখানেও জালিয়াতী করে তাকে অধ্যক্ষ বানানোর চেষ্টা অব্যাহত রাখছেন।
এলাকাবাসী,অভিভাবক কলেজ শিক্ষকরা ও ছাত্র ছাত্রীরা অবিলম্বে ইউনুস আলী খানের সকল অনিয়ম দুনীতির বিচার দাবী করেছেন। এ ব্যাপারে ইউনুস আলী খান মুঠোফোনে বলেন. আমি কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেছি আর কিছু বলবেন না বলে জানান।
কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা মো. মিজানুর রহমান বলেন, আমি সম্প্রতি সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছি।
বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান বলেন অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।





