
মর্তুজা শোয়েব,বিশেষ প্রতিনিধি দুমকি পটুয়াখালী:
পটুয়াখালীর দুমকিতে মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দাখিল মাদরাসা, ইবতেদায়ী মাদরাসা, প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে এখনো নতুন বছরে সকল বই তুলে দিতে পারেনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো।
২০২৩ মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা পাঁচ হাজার ৮০০ জনের জন্য ৮১ হাজার ৯৯৮টি বইয়ের চাহিদা থাকা সত্ত্বেও ৬০ হাজার ৮৯৪টি, মাদরাসা পর্যায়ে তিন হাজার ৩০০ শিক্ষার্থীর জন্য ৪৯ হাজার ১৫টি বইয়ের চাহিদা থাকা সত্ত্বেও ১৯ হাজার ২০০টি এবং ইবতেদায়ী পর্যায়ে চার হাজার ৩৫০ শিক্ষার্থীর জন্য ৩১ হাজার ৩০০টি বইয়ের মধ্যে পাওয়া গিয়েছে পাঁচ হাজার ২৫০টি বই।
উপজেলায় মাধ্যমিক পর্যায়ে বিদ্যালয় ২৩টি, মাদরাসা ২৪টি, ইবতেদায়ী মাদরাসা ৩০টি ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় ১ টি। নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক নতুন করা হয়েছে বিধায় প্রতিষ্ঠানের সপ্তম শ্রেণির দুটি বই পেয়ে অনেক কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মনোক্ষণ্ন হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বদরুন নাহার ইয়াছমিন বলেন, চাহিদা অনুযায়ী বাকি বইগুলো আমাদের কাছে আসার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করব।
প্রাথমিক পর্যায়ের ৫৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি শিশু কল্যাণ ও ১৬টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বইয়ের চাহিদা ছিল ৩৯ হাজার ৩৯৫টি। শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বছরের বই পৌঁছানো হয়েছে ২৬ হাজার ৭৫টি। বাকি বই সম্পর্কে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী মনিরুজ্জামান রিপন বলেন, চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের বাকি বই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দ্রুত পাঠানোর সিদ্ধান্ত রয়েছে।





