
প্রজ্ঞাজ্যোতি বড়ুয়া,নাইক্ষংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:
কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার অন্তর্গত কাউয়ার কোপ,কচ্ছপিয়া, বড় জাম ছড়ি,জুমছড়ি,মৌলভীকাটা এবং বান্দরবান জেলার নাইক্ষংছড়ি উপজেলার অন্তর্গত দোছড়ি,কোরুক্ষন, জারুলিয়াছড়ি, সোনাইছড়ি, বিছামারা, চাকঢালা সহ ইত্যাদি বিভিন্ন জায়গায় শুরু হচ্ছে বিপুল পরিমাণে তামাক চাষ।
স্থানীয় তামাক চাষিদের জিজ্ঞেসা বাদে জানান তামাক চাষ নিজের পরিশ্রমে করলে ব্যয়ের চেয়ে অধিক আয় লাভ করা যায়। এবং তামাক চাষে স্থানীয় টোব্যাকো তামাক চাষিদের বিভিন্ন প্রকার সরঞ্জাম ও অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করে তাকে। এবং ১ কেজি তামাক বিক্রি করলে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা পাওয়া যায়। এবং ৪০ শতাংশ জমিতে ১০-১১ বেল্ট তামাক উৎপাদন করা যায়। এবং ১ বেল্টের পরিমাণ ৭০ কেজি। তাই তামাক চাষিদের তামাক চাষ করতে আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানান স্থানীয় তামাক চাষিরা ।
অন্য দিকে উপ সহকারী কৃষি অফিসার জনাব মহিবুল আলম এর কাজ থেকে জিজ্ঞেসা বাদে জানান তামাক চাষ কৃষি ক্ষেত্রে হলেও কিন্তু সরকারি কৃষি ক্ষেত্রে আওতাভুক্ত নয়। কিন্তু বিভিন্ন ধরনের টোব্যাকো কোম্পানি চাষিদেরকে বিভিন্ন ধরনের লোভ দেখিয়ে চাষিদেরকে তামাক চাষে আগ্রহ বাড়ায়। এবং এই তামাক চাষে প্রচুর পরিমাণ বিভিন্ন ধরনের সার ব্যবহারের ফলে মাটির ভারসাম্যা হারিয়ে যায়। ফলে আমাদের কৃষি ক্ষেত্রে ক্ষতির সামুক্ষীন হয়।এবং কৃষির ফলন কম উৎপাদন হয়। আর অন্য দিকে তামাক চাষের ফলে তামাক চাষিদের বিভিন্ন ধরনের শ্বাস- প্রশ্বাসের ক্ষতির সামুক্ষীন হতে হয়। এবং টোব্যাকো চাষিদের যেসব সহযোগিতা করে তাকে সেগুলোর নগদ অর্থ তামাক চাষিদের কাজ থেকে তামাক বিক্রি করার সময় কেটে রাখে। তাই এতে তামাক চাষে ক্ষতি ছাড়া কোনো লাভ আশা করা যায় না।
আর অন্য দিকে আমাদের সরকারি কৃষি অফিস থেকে বিভিন্ন ধরনের কৃষি সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ ও ভাতা এবং বিভিন্ন ধরনের ফসলের বীজ ফ্রীতে আমরা দিয়ে থাকি। তাই আমাদের চাষিরা যদি আমাদের সরকারের অন্তভুর্ক্ত কৃষি ক্ষেত্রে আগ্রহ বেড়ে যায় তাহলে আমাদের এই কৃষি কাজের ফলে বেকারত্ব দূরীকরণ ও দেশের উন্নয়ন এবং আমাদের দেশের খাদ্যের সংকট দেখা দিবেনা।
তাই তিনি বলেন তামাক চাষ থেকে বিরত থেকে সরকারি আওতায়দিন কৃষি কাজ করে দেশের উন্নয়ন ও বেকারত্ব দূর করে আমাদের দেশের খাদ্যের সংকট হ্রাস করে এবং কৃষির ফলন বৃদ্ধি করার কৃষকদেরকে আশ্বাস জানান।





