
আতিকুর রহমান,গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
পিঠা-পুলি লোকজ ও নান্দনিক সংস্কৃতির প্রকাশ ঘটায়। গ্রামবাংলায় এসব পিঠা-পার্বণের আনন্দ-উদ্দীপনা এখনো মুছে যায়নি। এই আনন্দ ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখতেই নাটোরের গুরুদাসপুরে রকমারী আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো পিঠা উৎসব।
গুরুদাসপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সোমবার বিকেল ৪টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ওই পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। ইউএনও শ্রাবণী রায়ের সভাপতিত্বে এসময় গুরুদাসপুর থানার ওসি মো. আব্দুল মতিন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রোকসানা আকতার, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসান শাকিল, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আব্দুল হান্নান, উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা মো. মিলন মিয়া, উপজেলা পরিষদের সকল সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এই পিঠা উৎসবে জনপ্রিয় ভাপা পিঠা ছাড়াও চিতই পিঠা, দুধচিতই, ছিট পিঠা, দুধকুলি, ক্ষীরকুলি, তিলকুলি, পাটিসাপটা, ফুলঝুড়ি, ধুপি পিঠা, নকশি পিঠা, মালাই পিঠা, মালপোয়া, পাকন পিঠা, ঝাল পিঠা সহ প্রায় ২০ আইটেমের সুস্বাদু পিঠার আয়োজন করা হয়। উৎসবকে আরো প্রাণবন্ত করতে স্থানীয় ও বহিরাগত সঙ্গীত শিল্পীদের গাওয়া মনোমুগ্ধকর গান নিয়ে ঘন্টাব্যাপী মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্রাবণী রায় বলেন, একসময় পিঠা তৈরি ছিল আবহমান বাংলার মেয়েদের ঐতিহ্য। পিঠা-পায়েসকে নিয়ে গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে এখনো অসংখ্য গান, কবিতা ও ছড়া প্রচলিত আছে। এ দেশে যেমন শত শত নামের ধান ছিল, তেমনি সেসব ধানের পিঠারও অন্ত ছিল না। তবে পিঠা উৎসবের আনন্দ ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখতেই উপজেলা প্রশাসন এই আয়োজন করে।













