

আব্দুল কাদির,গোয়াইনঘাট(সিলেট) প্রতিনিধি:
অগ্নিকাণ্ডে সিলেটের গোয়াইনঘাট বাজারের ৬টি দোকান আগুনে ছাঁই হয়েছে। ৬টি দোকানে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে গোয়াইনঘাট থানা সদরের গোয়াইন বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মাছ বাজার সংলগ্ন ৬টি কাপড়ের দোকান পুড়ে যায়। প্রাথমিক ভাবে আগুনের সূত্রপাত জানা যায় নি। তবে পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, কাপড় ব্যবসায়ী খসরুল আলমের দোকানের বৈদ্যুতিক সুইচ বোর্ড থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে সাথে সাথে উপস্থিত হয়েছেন, গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিলুর রহমান ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিমল চন্দ্র দেব। তারা স্থানীয় লোকজনদের সাথে আগুন নেভানোর কাজে সর্বাত্মক চেষ্টা করেন এবং ঘন্টাখানেকের মধ্যে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সাথে যোগাযোগ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
স্থানীয় লোকজনদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন গোয়াইন বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী খসরুল আলম এবং মোঃ সমসুদ্দিন। পাশাপাশি আরো ৪জন ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হচ্ছেন, আব্দুল মতিন, মরতুজ আলী, ইসমাইল আলী ও রাসেল আহমদ।
ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দাবিঃ
গোয়াইন বাজারে অগ্নিকাণ্ডের পর পরই স্থানীয় জনসাধারণ সহ সামাজিক মাধ্যম ফেইসবুকে গোয়াইনঘাট উপজেলায় একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দাবি তুলেন সচেতন মহল। তারা বলেন, পাশ্ববর্তী উপজেলা জৈন্তাপুরে ফায়ার সার্ভিস আছে, অথচ আমাদের উপজেলায় নেই। এ জন্য যতদ্রুত সম্ভব গোয়াইনঘাটে ফায়ার সার্ভিস চাই বলে তারা দাবি করেন।
গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানিয়েছেন, ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের জন্য আমাদের জায়গা অধিগ্রহণ কার্যক্রম অনেক আগেই শেষ হয়েছে। কিন্তু নানা জটিলতার কারণে বিল্ডিং এর কাজে দেরী হচ্ছে। তবে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে আলাপ করে উনার অনুমতি সাপেক্ষে কারো বাসা ভাড়া নিয়ে হলেও ফায়ার সার্ভিস গোয়াইনঘাটে নিয়ে আসবো বলে জানান তিনি।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের পর বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সরেজমিন পরিদর্শন করেন গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফারুক আহমদ। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের তাৎক্ষণিক সহযোগিতার জন্য আশ্বস্ত করেন৷










