
প্রসেনজিত বড়ুয়া,উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
র্যাব-১৫, কক্সবাজার এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, কতিপয় মহিলা মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের লক্ষ্যে বিপুল পরিমাণ গাঁজা সাথে নিয়ে চকরিয়া হইতে বাসযোগে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে আসছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ১৩ জুলাই ২০২৩ খ্রিঃ অনুমান ১৪.৪০ ঘটিকায় র্যাব-১৫, কক্সবাজার এর ব্যাটালিয়ন সদরের একটি চৌকস আভিযানিক দল কক্সবাজার জেলার রামু থানাধীন হাসপাতাল পাড়াস্থ মেসার্স প্রান্তিক ফিলিং স্টেশন এর সামনে পাঁকা রাস্তার উপর অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশী অভিযান শুরু করে। এ সময় শ্যামলী পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস (যাহার রেজিঃ নং-চট্ট মেট্রো-ব-১৪-৪৬৪১) এর ০৩ (তিন) জন মহিলা যাত্রী সন্দেহজনক ভাবে পালানোর চেষ্টাকালে র্যাবের আভিযানিক দল তাদেরকে আটক করে। উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক আটককৃত মহিলাদের দেহ ও সাথে তিনটি কাপড়ের ব্যাগ তল্লাশী করে তাদের হেফাজত হতে সর্বমোট ২৮ (আটাশ) কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মহিলা মাদক ব্যবসায়ীদের বিস্তারিত পরিচয় ১। আমিনা খাতুন (২৪) (এফডিএমএন), স্বামী-আব্দুল গনি, পিতা-মৃত কাদির হোসেন, মাতা-মৃত ফাতেমা খাতুন, ২। আনোয়ারা বেগম (৩০) (এফডিএমএন), স্বামী-মোহাম্মদ উল্লাহ, পিতা-মৃত ফয়েজুর রহমান, মাতা-জমিলা খাতুন, এবং ৩। আমিনা বেগম (৪২) (এফডিএমএন), স্বামী-সমছুর আলম, পিতা-মৃত হামিদুর রহমান, মাতা-মৃত ছেমন খাতুন, সর্ব সাং-ক্যাম্প-২৬, ব্লক-সি, মোচনী ক্যাম্প, টেকনাফ, কক্সবাজার বলে জানা যায়। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা এফডিএমন নাগরিক এবং পরস্পর যোগসাজসে বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে অনেক দিন ধরে মাদকদ্রব্য গাঁজা অবৈধভাবে পার্শ্ববর্তী সীমান্তবর্তী এলাকা হতে সংগ্রহ করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে আর্থিক লাভের জন্য মাদকদ্রব্য নিজেদের হেফাজতে রেখে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্রয় করে থাকে।
উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ ধৃত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণার্থে কক্সবাজার জেলার রামু থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করা হয়েছে ।





