
আব্দুস ছাত্তার,কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
সাতক্ষীরা জেলার, কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের নলতা থেকে তারালী রোডের পাশে অবস্থিত কাজলা গরিবউল্লাহ বিশ্বাস দাখিল মাদ্রাসা ওএতিম খানার। এই এতিমখানায় পানি নিষ্কাশন ব্যাবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে জলাবদ্ধ দেখা দিচ্ছে। এই এতিমখানার দক্ষিণ দিকে পানি নিষ্কাশন ব্যাবস্থা ছিল কিন্তুু এই পানি নিষ্কাশন ব্যাবস্থা নদ দমার মুখে মাটি ভারাট দিয়ে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়েছে। এই মাটি ভরাট কৃত ব্যক্তি হলেন মোঃ আলমগীর হোসেন (আলিম), পিতা মোঃ ওয়াজেদ আলী গাজী, গ্রামঃ ইছাপুর।
পানি নিষ্কাশন ব্যাবস্থার নর্দমার মাথার জমিটা তার নিজের সম্পত্তি। বর্তমান থেকে প্রায় পঁচিশ বছর আগে থেকে ওখান দিয়ে পানি নিষ্কাশন হত এবং তখন তার এই জমিটি ছিল কৃষিজমি এই জন্য পানি নিষ্কাশন ব্যাবস্থা ভাল ছিল। কিন্তুু এই বর্ষার মৌসুম আসার আগে পানি নিষ্কাশন ব্যাবস্থা না করে সেই স্থানে মাটি ভরাট করে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ করে দেয়। যার ফল স্বরুপ এতিমখানার ভিতরে জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে সবসময়ের জন্য। এই বিষয় গুলো নিয়ে এতিমখানার শিক্ষকগন জমির মালিকের ও তার বাবার সাথে কথা বললে তার কোন প্রকার সমস্যা সমাধানের কথা জানাই নি। এই জলাবদ্ধতার কারণে জলাবদ্ধতা পানিতে মশা মাছি জন্মাচ্ছে। যাতে করে অনেক ধরনের রোগজীবাণু ছড়াতে পারে ও মারাত্নক ডেঙ্গু মশার আক্রমণে ডেঙ্গু জ্বর ও হতে পারে এতিমখানার ছাত্র ও এলাকাবাসীর এবং এতিমখানা ছাত্র ও শিক্ষক দের চলাফেরা সহ বিভিন্ন কাজের বাধাও সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এই জলাবদ্ধতার কারনগুলো যদি সমাধান না করা হয় তাহলে এতিমখানার ছাত্র ও শিক্ষক এবং এলাকাবাসী বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখে পড়তে পারে।





