
ছৈয়দুল আমিন সাঈদ,কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি
লাখ লাখ টাকা ও সিম আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে রোমান সচেতন কল্যাণ সংস্থা (আর এস কে এস) এনজিওর বিরুদ্ধে, ঢাকা কেন্দ্রিক পরিচালিত শিশু শ্রম শিশুদেরকে গণশিক্ষা ও উপবৃত্তি দেওয়ার নাম করে কক্সবাজার পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে রোমান সচেতন কল্যাণ সংস্থা এনজিও কর্তৃক খুলা হয় অস্হায়ীভাবে একাধিক শাখা প্রশাখা স্থানীয় কিছু জনবল নিয়োগের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে চালু করা হয় শিক্ষা তাদের কার্যক্কম।
তারই ধারাবাহিকতায় কক্সবাজার পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডে তাদের যে কেন্দ্র ছিল ৩/৪/৫ নাম্বার এবং ১/৫ নং কেন্দ্রের অসহায় পরিবারের প্রায় দেড় শতাধিক শিশু শ্রম শিশুদেরকে গণ শিক্ষা ও উপবৃত্তির আওতায় আনা হয়, প্রাথমিকভাবে তাদের কার্যক্কম চার থেকে পাচমাস ঠিকভাবে চালু থাকলেও পড়ে গিয়ে তারা উদাও হযে যায়। সাথে শিশুদের গার্ডিয়ানের নিজস্ব এনআইডির কর্তৃক রেজিষ্ট্রেশন করা সিম ও উপবৃত্তির লাখ লাখ আত্মসাৎ করে গোপন হয়ে যায় বর্তমানে কক্সবাজার পৌরসভার তাদের কোন কেন্দ্রের কার্যক্রম দেখা যায়নি এবং বন্দ রয়েছে সব কেন্দ্র যারা এই এনজিও আন্ডারে মাঠ পর্যায়ে চাকরি করেছিল তাদেরও কোন হদিস নেই।
তবে সারজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইতিমধ্যে তাদের সকল কার্যক্রম ও যে কেন্দ্রগুলো রয়েছে স্কুল থেকে শুরু করে কোন নির্দষ্ট স্হান বা কেন্দ্রের খোজ মিলেনি এবং কক্সবাজারের বৈধ্যঘোনায় রোমান সচেতন কল্যাণ সংস্থার যে অফিস ছিল সেই অফিসের কোন কার্যক্কম দেখা মিলেনি এবং সেই অফিস তালাবদ্দ অবস্থায় দেখা যায়।
এই এনজিওর ভুক্তভোগী একজন দর্জি প্রশিক্ষক তামান্না, জানান ২০২১ সালে এই এনজিওটি শ্রমজীবী শিশুদেরকে গন শিক্ষা উপবৃত্তি দেওয়ার নাম করে ৯নং ওয়ার্ডেের প্রাথমিকভাবে তাদের কার্যক্রম চালু করে কিন্তু হঠাৎ করে তারা কোথায় যেন হারিয়ে যায় এখন তারা ছাত্রদের উপবৃত্তির টাকা ও সিম নিয়ে যায়, আমি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও কোন ধরনের সাড়া পাইনি এবং দেড় বছর নাগাদ তাদের কোন খোঁজ খবর পাওয়া যাচ্ছে না কক্সবাজারে দায়িত্বরত প্রজেক্ট সুপারভাইজার সালমার এবং খাইরুন্নেছার সাথে একাধিকবার সিম এবং উপবৃত্তির টাকা বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ও কোন ধরনের সমাধান পায়নি এবং উল্টো আমাদেরকে হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয়।
এই বিষয়ে কক্সবাজার যিনি প্রজেক্ট সুপারভাইজার সালমার সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সিম এবং ছাত্রদের টাকা আমাদের কাছে নেই এগুলো ঢাকা অফিসে রয়েছে ঢাকা থেকে যখন সিদ্ধান্ত আসবে তখন দিতে পারবো বলে জানান তিনি, তবে সালমা প্রথামিকভাবে অশ্বিকার করলেও পরে সে ঠিকই স্বীকার করেন যে অবিভাবকেরদের সিম গুলো তার কাছে রয়েছে, তার কাছ থেকে অফিসের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান অফিসের কোন কার্যক্রম নেই, তবে ঠিকই অফিস রয়েছে তালাবদ্ধ অবস্থায়, এই এনজিওটির প্রধান পরিচালক মাহবুবুর রহমানের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমাদের প্রজেক্ট শেষ হয়ে গেছে, ডিসেম্বরে ছাত্রদের টাকা এবং সিম আমরা প্রতি মাসে ছাত্রদের টাকা এবং সিম দিয়ে দিয়েছি কর্তব্যরত সুপার ভাইজারদের হাতে, তবে মাঠ পর্যায়ে এবং সিনিয়র লেভেলের যারা রয়েছেন তারাই এই কাজ গুলো করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি এই বিষয়ে এড়িয়ে যান, তার আপন ছোট ভাই, হামিদুর রহমান এই এনজিওর সহকারি পরিচালক তার সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ত বলে ফোন কেটে দেন প্রায় দুই কেন্দ্রের দুই শতাধিক পরিবারের সিম এবং লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎদের প্রতিবাদে জেলা প্রসাশকের কার্যলযে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগীরা এবং জেলা প্রশাসক বাবর রুমান সচেতন কল্যাণ সংস্থার এনজিও বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন ভুক্তভোগীর পরিবার প্রসাশনের কাছে তাদের সিম এবং ছাত্রদের উপবৃত্তির টাকা যেন ফিরিয়ে পাই, পাশাপাশি এইসব প্রতাক সক্রের মুলহোতাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।





