
ছৈয়দুল আমিন সাঈদ,কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি
কক্সবাজার রামু দক্ষিণ মিঠা ছড়ি চেইন্দায় অবস্থিত হোফ ফাউন্ডেশন নামক এনজিও সংস্থা প্রতিষ্টানটির ব্যবস্থাপনায় নানা অনিয়ম চলছে এমন অভিযোগ তুলেছে, শতাধিক কর্মচারি। হোপ ফাউন্ডেশন নামক ৭৫ শয্যা হাসপাতালটিতে কর্মচারি রয়েছে প্রায় ৩৫০ জন।
তবে সম্প্রতি উক্ত প্রতিষ্টানটির ৩৫০ জেনর অধিক কর্মচারীর ৪/৫ মাসের বেতন বকেয়া রেখেছে বলে জানা যায়, এখনো পর্যন্ত মিলেনি বেতন এবং ঈদ বোনাস।
নাম বলতে অনিচ্ছুক একজন সিনিয়র কর্মচারী বলেন এই কঠিন মুহূর্তে আমাদের ৪/৫ মাসের বেতন বন্ধ রাখাতে আমারা খুব কষ্টে দিন কাটাচ্ছি, পাশাপাশি এই ঈদের দিনে পুরো পরিবারকে নিয়ে খুব দুঃখ কষ্টে দিন কাটাচ্ছি, এখনো পর্যন্ত ঈদ বোনাস এবং বেতন পাইনি।
সবার মাঝে ঈদের খুশি থাকলে ও সেই খুশি আমাদের মাঝে নেই, এবং আমার পুরো পরিবার ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত । যাতে দ্রুত আমাদের বেতন পাওয়ার ব্যাপার ব্যবস্থা গ্রহণ করে। পাশাপাশি বকেয়া বেতন যদি ব্যবস্থা করা না হয় পরবর্তীতে বকেয়া বেতনের দাবিতে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী দেন উক্ত হাসপাতালের কর্মচারীরা।
আরেক কর্মচারী জানান, আমরা অল্প টাকায় চাকরি করি, সেই টাকা দিয়ে আমার পরিবার চলে হঠাৎ বেতন বকেয়া থাকাতে এখন পথে বসার অবস্থা। যাতে দ্রুত বকেয়া বেতন দ্রুত ব্যবস্থা করা হয় সেই দাবি জানাচ্ছি।
হোপ ফাউন্ডেশনে স্হানীয় কিছু কর্মচারী হোপ ফিল্ড হাসপাতালে সিনিয়র ম্যানেজার শওকত আলী এবং কান্ট্রি ডিরেক্টর, কে এম জাহেদুজ্জামান বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, নিয়োগ বানিজ্যের মাধ্যমে তাদের পছন্দের লোককে মনোনীত করা, স্হানীয়দের অমূল্যায়ন, কর্মচারী পরিচালনার ক্ষেত্রে বৈষম্য সৃষ্টি এবং আমরা অনেক দিন ধরে চাকরি করলেও আমাদের তেমন মুল্যায়ন নেই এবং বেতন বাড়ার সুযোগ নেই।
পাশাপাশি তাদের পছন্দের যারা কর্মচারী রয়েছে আত্নীয় সজনদের চাকরিতে আসা মাত্র অতিরিক্ত বেতনে নিয়োগ, প্রমোশন হয় রীতি মতো। তবে এই বিষয়ে প্রতিবাদ করলে সরাসরি চাকরিচ্যুত করার হুমকি দেয় বলে জানান কান্ট্রি ডিরেক্টর কে এম জাহেদুজ্জামান।
সমপ্রতি( ইউ এন এফ পি এ) নামে হোপ ফাউন্ডেশন হাসপাতাল এর সাথে এই এনজিও টি প্রায় ৫ বছর ধরে আর্তিক সাহায্য সহযোগিতা করে গিয়েছিল বলে জানা যায়, তবে হাসপাতাল কতৃপক্ষের কার্যক্তমে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির চোখে পড়লে, হোপ হাসপাতালের সেই চুক্তি বাতিল করে( ইউ, এন এফ পি এ) কতৃপক্ষ।
বিশেষ সুত্রে জানা যায়, হাসপাতালের চিফ একাউন্টস অফিসার মোঃ আরিফ এবং সহকারী সিনিয়র একাউন্টস শাহনেওয়াজের বিরুদ্ধে ফাউন্ডেশনের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ পা-ওয়া যায়, পরে চাকুরীচ্যুত হয় বরে জানা যায়। পাশাপাশি প্রকিউরমেন্ট ম্যানেজার ইউসুফ ও সিনিয়র লজিস্টিক অফিসার আব্দুল্লাহ বিরুদ্ধে হাসপাতালে পন্য ক্রয়ে টাকা আত্মসাৎ করার একাদিক অভিযোগ উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে হোপ ফাউন্ডেশন দায়িত্ব রত কান্ট্রি ডিরেক্টর কে এম জাহেদুজ্জামান এর সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি বলেন, বেতন বকেয়া আছে সেটা ঠিক আছে তবে আমরা খুব অতি শিগগিরই বেতনের ব্যবস্থা করতেছি, তার কাছে অনন্য অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে তা তিনি অস্বীকার করেন। তিনি আরো বলেন নিউজ হলে কক্সবাজার সুনাম ক্ষুন্ন হবে এবং লেখালেখি না করার জন্য অনুরোধ করেন।










