
নিজস্ব প্রতিনিধি
এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ পেলেন মালদ্বীপ প্রবাসী সাংবাদিক ওমর ফারুক খোন্দকার।শুক্রবার (২, মে) বাংলাদেশের পর্যটন নগরী কক্সবাজারের এক অভিজাত রিসোর্টে আয়োজিত ‘পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে মিডিয়ার ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির মৎস্যজীবী সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মো. লুৎফর রহমান কাজল সহ আয়োজক কমিটির হাত থেকে এই পুরস্কার গ্রহণ করেন তিনি।
এছাড়াও গ্লোবাল এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন ও ফিল্ম স্টার ক্লাব এর যৌথ প্রয়াসে পর্যটন শিল্পে ও সমাজে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ২০ গুণীজন কে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠান গ্লোবাল এভিয়েশন এন্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সালাম মাহমুদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির মৎস্যজীবী সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ লুৎফর রহমান কাজল।স্বাগত বক্তব্য রাখেন এশিয়ান বিজনেস পার্টনারশিপ সামিট এর নির্বাহী পরিচালক মো. গোলাম ফারুক মজনু।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পার্সোনাল ফটোগ্রাফার ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মো. সাফিকুর রহমান, এনটিভির পরিচালক আলহাজ্ব মো. নুরুদ্দিন আহমেদ, বরেণ্য সাংবাদিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব আবদুর রহমান, ফিল্ম স্টার ক্লাবের চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম ও কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি এম এ মোতালেব শরীফ প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে লুৎফর রহমান কাজল বলেন, পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনাময়ের দেশ বাংলাদেশ।বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের পাশাপাশি রয়েছে বিশ্ববিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসস্থল বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন এবং কি নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পাহাড়-পর্বত ও জীব-বৈচিত্র।পর্যটনের এসব অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনেতিক প্রবৃদ্ধির কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালনা করার জন্য সরকারের গুরুত্বের সাথে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসার আহব্বান জানান তিনি।
এছাড়াও দেশের সাংবাদিকদের অন্যতম সংগঠন গ্লোবাল এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন পর্যটন শিল্প বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে গোলাম ফারুক মজনু সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদার করে দেশের অর্থনৈতিক,পর্যটন ও বাণিজ্যিক উন্নয়নে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।তিনি আরো বলেন এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক পর্যটন ও বাণিজ্যিক শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে আরো বেশি কাজ করতে হবে।
আলোচনা শেষে নেপালের শিল্পীদের সমন্বয়ে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।





