
কাজী কামরুল আলম,মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:
মুসলমানদের ফরজ এবাদতের মধ্যে রমজান মাসে রোজা রাখা একটি বড় এবাদত।
তবে মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিনকে রাজি খুশি করার উদ্দেশ্যে সিয়াম সাধনা করলেও এর একটি বড় প্রভাব পরে সামাজিক ভ্রাতৃত্ব বোধ সৃষ্টির জন্য। এক মুসলমান অন্য মুসলমানের বাড়িতে ইফতার পাঠানো, বড় আয়োজন করে রোজাদারদের দাওয়াত করে তাদের সাথে একসাথে ইফতার করা মুসলমানদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি সহ বাড়ে সহমর্মিতা। ( কালকিনি-ডাসার ও মাদারীপুর সদরের একাংশ) নিয়ে গঠিত মাদারীপুর-৩ আসনে পৌর এলাকা সহ প্রতিটি ইউনিয়নে মুসলমানদের মধ্যে তেমনি এক ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করেছিলেন মাদারীপুর-৩ আসনের সাবেক সফল সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক কৃষিবিদ আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাছিম। তিনি পৌরবাসী সহ প্রতিটি ইউনিয়নের রোজাদারদের ইফতারের ব্যবস্থা করে নিজে উপস্থিত থেকে তাদের সাথে বসে ইফতার করতেন। মহান আল্লাহকে রাজি খুশি করার উদ্দেশ্যে তিনি হাজার হাজার রোজাদারের জন্য ইফতারের ব্যবস্থা করলেও মূলত এই আয়োজন রোজাদারদের মধ্যে সামাজিক ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি ও রোজাদারদের মিলন মেলায় রুপনিতো। ধনী গরিব নেতা কর্মী সহ সাধারন মানুষ সবাই এক সাথে বসে একই খাবার খেয়ে ইফতার করা এটি সামাজিক ভাবে মুসলমানদের মধ্যে একটি ধর্মীয় উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়েছিল। সেই সাথে প্রিয় নেতাকে নিয়মিত সাধারন মানুষদের কাতারে পেয়ে সবাই নিজেদের প্রয়োজনীয় কথা বলারও সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল। এখনো রমজান আসলেই মাদারীপুর-৩ আসনের মানুষ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে তাদের প্রাণপ্রিয় নেতা কৃষিবিদ আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাছিমকে। আর এটি স্মরণ করে ইফতার খাওয়ার জন্য নয় স্মরণ করে রোজাদারদের সম্মান দেয়ার জন্য, স্মরণ করে মুসলমানদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টির জন্য, স্মরণ করে ধনী গরিব বড় নেতা ছোট নেতা সহ সকল কর্মীকে ইফতার করানোর মাধ্যমে এক কাতারে নিয়ে আসার জন্য।





