আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে সচিবের ঘুষ সাম্রাজ্য!

0
2

ঢাকা জেলা প্রতিনিধি

আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ যেন এখন অনিয়ম ও দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের পকেট কেটে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের উৎসব চলছে এখানে। আর এই অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তীর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শ্যাম সুন্দর মণ্ডলের দিকে।

সরকারের নির্ধারিত নীতিমালার তোয়াক্কা না করে পরিষদে আসা সেবা প্রত্যাশীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

​স্থানীয়দের অভিযোগ, ট্রেড লাইসেন্স, জন্ম নিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি সরকারি সেবাতেই নির্ধারিত সরকারি ফির চেয়ে বহুগুণ বেশি টাকা আদায় করা হচ্ছে। ক্ষেত্রবিশেষে পরিষদের গ্রাম পুলিশদের সরাসরি ব্যবহার করা হচ্ছে এই অবৈধ অর্থ সংগ্রহের কাজে।

তথাকথিত এই রক্ষকই এখন সাধারণ মানুষের জন্য ভক্ষক হয়ে দাঁড়িয়েছেন।​এ ছাড়া গোটা পরিষদ প্রাঙ্গণে রয়েছে শক্ত এক দালাল চক্রের প্রাদুর্ভাব। দালালদের মাধ্যমে না গেলে বা অতিরিক্ত অর্থ না দিলে সাধারণ সেবা প্রত্যাশীদের দিনের পর দিন ঘুরতে হয় এবং চরম হয়রানির শিকার হতে হয়।

সম্প্রতি পরিষদে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে সচিব শ্যাম সুন্দর মণ্ডল কৌশলে চম্পট দেন, যা নিয়ে উপস্থিত সেবা প্রত্যাশীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

​এলাকাবাসীর মতে, পূর্বে যারা সচিব হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন তারাও অনিয়মের সাথে জড়িত ছিলেন, তবে বর্তমান সচিবের আমলে দুর্নীতি সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। পরিষদটি এখন পুরোপুরি অনিয়মের আশ্রমে রূপ নিয়েছে।

​ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এভাবে যদি প্রকাশ্য অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাৎ চলতে থাকে, তবে একসময় সাধারণ মানুষ চরম হতাশ হয়ে ইউনিয়ন পরিষদে আসাই বন্ধ করে দেবে।

অবিলম্বে এই দুর্নীতিবাজ সচিবের অপসারন ও ইউনিয়ন পরিষদের সার্বিক প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ ও তদন্ত দাবি করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।আশুলিয়া ইউনিয়নে সচিবের ঘুষ সাম্রাজ্য সরকারি ফির দ্বিগুণ-তিনগুণ গুনে দিশেহারা সাধারণ মানুষ।

আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ যেন এখন অনিয়ম ও দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের পকেট কেটে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের উৎসব চলছে এখানে। আর এই অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তীর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শ্যাম সুন্দর মণ্ডলের দিকে।

সরকারের নির্ধারিত নীতিমালার তোয়াক্কা না করে পরিষদে আসা সেবা প্রত্যাশীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

​স্থানীয়দের অভিযোগ, ট্রেড লাইসেন্স, জন্ম নিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি সরকারি সেবাতেই নির্ধারিত সরকারি ফির চেয়ে বহুগুণ বেশি টাকা আদায় করা হচ্ছে। ক্ষেত্রবিশেষে পরিষদের গ্রাম পুলিশদের সরাসরি ব্যবহার করা হচ্ছে এই অবৈধ অর্থ সংগ্রহের কাজে।

তথাকথিত এই রক্ষকই এখন সাধারণ মানুষের জন্য ভক্ষক হয়ে দাঁড়িয়েছেন।​এ ছাড়া গোটা পরিষদ প্রাঙ্গণে রয়েছে শক্ত এক দালাল চক্রের প্রাদুর্ভাব। দালালদের মাধ্যমে না গেলে বা অতিরিক্ত অর্থ না দিলে সাধারণ সেবা প্রত্যাশীদের দিনের পর দিন ঘুরতে হয় এবং চরম হয়রানির শিকার হতে হয়।

সম্প্রতি পরিষদে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে সচিব শ্যাম সুন্দর মণ্ডল কৌশলে চম্পট দেন, যা নিয়ে উপস্থিত সেবা প্রত্যাশীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

​এলাকাবাসীর মতে, পূর্বে যারা সচিব হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন তারাও অনিয়মের সাথে জড়িত ছিলেন, তবে বর্তমান সচিবের আমলে দুর্নীতি সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। পরিষদটি এখন পুরোপুরি অনিয়মের আশ্রমে রূপ নিয়েছে।

​ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এভাবে যদি প্রকাশ্য অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাৎ চলতে থাকে, তবে একসময় সাধারণ মানুষ চরম হতাশ হয়ে ইউনিয়ন পরিষদে আসাই বন্ধ করে দেবে।

অবিলম্বে এই দুর্নীতিবাজ সচিবের অপসারন ও ইউনিয়ন পরিষদের সার্বিক প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ ও তদন্ত দাবি করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।


আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে সচিবের ঘুষ সাম্রাজ্য!

Share this news as a Photo Card

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here