

ভোলা প্রতিনিধি:
ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর দুই কর্মীকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। এসময় হামলাকারীরা ওই দুই কর্মীর পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (প্রতীক মোটরসাইকেল) রেজাউল হক মিঠু চৌধুরী।
আহতরা হলেন রাজাপুর ইউনিয়ননের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হাসান আলী চকিদারের ছেলে মো. গিয়াস উদ্দিন ও একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ছিদ্দিক হাওলাদারের ছেলে আব্দুছ ছালাম হাওলাদার। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের জনতাবাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী রেজাউল হক মিঠু চৌধুরী অভিযোগে করে বলেন, সকালে আমার কর্মী গিয়াস উদ্দিন জনতা বাজার তার ওষুধের দোকানে বসা ছিলেন এবং অপর কর্মী ছালাম হাওলাদার ওই বাজারের একটি চায়ের দোকানে বসা ছিলেন। এসময় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমানের উপস্থিতিতে তার কর্মী নাছির সরদার, আলতু ফরাজী, ডিস জামাল, ইকবাল চকিদারসহ ২০-২৫ জনের একটি গ্রুপ ধারাল অস্ত্র নিয়ে আমার এ দুই কর্মীর ওপর হামলা চালায়। এসময় হামলাকারীরা গিয়াস উদ্দিন ও ছালামকে কুপিয়ে জখম করে এবং পায়ের রগ কেটে দেয়। হামলাকারীদের ধারাল অস্ত্রের আঘাতে তাদের মাথা, ঘাড় ও পায়ে গুরুতর জখম হয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে গিয়াস উদ্দিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও জানান তিনি।
নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি হামলার বিষয়ে কিছুই জানি না। আমি আমার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে সকাল থেকেই নির্বাচনী প্রচারণায় আছি। আমি খবর শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে কিছুই দেখতে পাইনি।
ভোলা সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. আরমান হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ৫ জানুয়ারি এ ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।













