নোয়াখালী আদালত প্রাঙ্গণ থেকে অপহৃত কিশোরী উদ্ধার, গ্রেফতার ১

0
21

নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

নোয়াখালী আদালত প্রাঙ্গণ থেকে মায়ের কাছ থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া এক কিশোরীকে উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১১, সিপিসি-৩-এর একটি দল। এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি আবদুর রহিম রনিকে (২৩) গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন এসআরবি-১১, সিপিসি-৩-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ও কোম্পানি কমান্ডার মিথুন কুমার কুণ্ডু।

জানা গেছে, সোমবার রাত ৮টা ৩৫ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী ও এসআরবি-৭, সিপিএসসি, চট্টগ্রামের যৌথ আভিযানিক দল চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার পাশের একটি কলোনিতে অভিযান চালায়। এ সময় ইউসুফ নামের এক ব্যক্তির ভাড়া বাসা থেকে আবদুর রহিম রনিকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের জগদানন্দ গ্রামের সালাউদ্দিনের ছেলে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। স্কুলে যাওয়ার পথে তাকে অপহরণের ঘটনায় গত ১৬ জুলাই নোয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন তার মা। আদালতের নির্দেশে কিশোরীকে উদ্ধার করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়। পরে গত ১৩ সেপ্টেম্বর আদালত তাকে মায়ের জিম্মায় প্রদান করেন।

আদালত থেকে বের হয়ে সিএনজিতে ওঠার সময় আসামি রনি ও তার সহযোগীরা কিশোরীকে ঘিরে ধরে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় তার মা বাধা দিলে আসামিরা তাকে কিল-ঘুষি মেরে রাস্তায় ফেলে দেয় এবং গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

একপর্যায়ে আসামিরা সিএনজি ও মোটরসাইকেলে করে কিশোরীকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় সুধারাম থানায় মামলা দায়েরের পর এসআরবি-১১, সিপিসি-৩ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।

দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযানের পর চট্টগ্রাম থেকে মামলার প্রধান আসামি আবদুর রহিম রনিকে গ্রেফতার এবং অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া কিশোরীকে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


নোয়াখালী আদালত প্রাঙ্গণ থেকে অপহৃত কিশোরী উদ্ধার, গ্রেফতার ১

Share this news as a Photo Card

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here