
এমডি জিলহজ খান,কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি:
কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যাওয়া সেই নবজাতক শিশুটির মায়ের সন্ধান মিলছে সে এক প্রবাসীর স্ত্রী। কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বটতৈল ইউনিয়নের কবুরহাট মেয়ে পাড়ার সৌদি প্রবাসী মোমিন আলীর স্ত্রী ওই নবজাতক শিশুর মা। সে হাসপাতালে ভর্তির পর বাচ্চ প্রসবের পর তাকে রেখে কৌশলে পালিয়ে যায় মা । পরে সংবাদ পেয়ে প্রবাসী মোমিন আলীর পরিবারের সদস্য, ইউপি সদস্যসহ সমাজের প্রধানবর্গ হাসপাতালে এসে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। শিশুটি বর্তমানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়,গত বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) রিনি খাতুন নামের এক নারী গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি হন। ওই দিনই নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে তিনি একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিশুটি অসুস্থ থাকায় তাকে নবজাতক ইউনিটে নেয়া হয়। মা ও শিশু দুইজন দুই ওয়ার্ডে থাকায় মায়ের নিখোঁজ হওয়া সম্পর্কে প্রথমে জানা যায়নি।
পরে বৃহস্পতিবার সকালে মায়ের খোঁজ পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়। তখন থেকেই ওই শিশুর মাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এম এ মোমেন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, শিশুটি এখন সুস্থ রয়েছে। তাকে হাসপাতালের স্ক্যানু ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।
পরে এই শিশুটি প্রবাসী মোমিনের নয় বলে মোবাইলে নিশ্চিত করে ওই প্রবাসী বলেন, তিনি প্রায় ৩/৪বছর সৌদিতে রয়েছেন। এ সন্তান তার স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্কের ফসল। ইতি পূর্বেও তার স্ত্রী স্থানীয় কয়েকজন যুবকের সাথে অবৈধ সম্পর্কের বিষয়টি নিশ্চিত হন । কিন্তু দুটি সন্তানের মুখের দিকে চেয়ে সে স্ত্রীকে ক্ষমা করে দিয়ে তার সাথে সংসার চালিয়ে যাচ্ছেন।
এবার এই সন্তানের কথা না জানিয়ে গোপনে হাসপাতালে ভর্তি হয় তার স্ত্রী এবং সন্তান প্রসবের পর হাসপাতাল থেকে পালিয়ে আসার পর পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি নিশ্চিত হন । এ ছাড়াও সে অন্য সমস্যার কারন দেখিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিল বলে নিশ্চিত করেন মোমিনের মা।
এ ঘটনার পর ওই প্রবাসীর স্ত্রী ও স্থানীয় কয়েকজন যুবককে নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।





