
খন্দকার ছদরুজ্জামান,নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের মাকড়াইল গ্রামের ৩ জন কিশোর গ্যাংয়ের লিডারের বিরুদ্ধে চর শালনগর গ্রামের আবুল কালাম শেখের মেয়েকে মাকড়াইল কে কে এস ইনস্টিটিউশন বিদ্যালয় ঢুকে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী মরিয়ম খানম( ১৪) কে মারপিটের অভিযোগ।
অভিযুক্তরা হলেন মাকড়াইল গ্রামের তমিজ মোল্লা ছেলে লিমন মোল্লা, জাকির মোল্লা ছেলে মিনহাজ মোল্লা, ও সাব্বির।
এ ঘটনায় লোহাগড়া থানায় মরিয়ম এর মা সালেহা বেগম বাদী হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায় যে,এই কিশোর গ্যাংয়ের তিন লিডারের মধ্যে সাব্বির মরিয়মকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় সে রাজি না হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার ( ১৭ ই নভেম্বর) বেলা ১২ টার সময় টিফিনে স্কুলের ক্লাসে বসে থাকে । এই সময় ক্লাসে অনাধিকার ভাবে প্রবেশ করে মরিয়মকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে। এর পর মরিয়ম প্রতিবাদ করলে তার হাত ধরে তুলে নেওয়ার জন্য টানা হেচড়া করে। সে যেতে রাজি না হওয়ায় তাকে লিমন মোল্লা তার কানে চর মারে কান দিয়ে রক্ত ঝড়াই এবং সাব্বির ও মিনহাজ মরিয়মকে মারপিট করে নীলা ফুলা জখম করে ও শ্রীলতাহানির চেষ্টা করে।
এ বিষয়টি মরিয়ম তার বাবাকে বললে, তার বাবা আবুল কালাম শেখ স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সহকারি শিক্ষকদের জানালে তারা কোন প্রতিকার করে নাই বলে অভিযোগ মেয়ের বাবার।
মেয়ের বাবা আরো বলেন, শিক্ষকদের কাছে বিচার কেন দিলাম এ জন্য আমার মেয়েকে ও আমাদেরকে জীবন নাশের হুমকি ও বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখায় এবং
আমার মেয়েকে এসিড মেরে ক্ষতি করবে বলে হুমকি প্রদান করে। আমি এই কিশোর গ্যাংয়ের সঠিক বিচার চাই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রামের অনেক লোকেরাই বলেন এই তিন কিশোর গ্যাং লিডারদের জন্য আমাদের মেয়েরা ঠিক মতো স্কুলে যেতে পারে না। এবং এরা গ্রামের প্রভাবশালী হওয়ায় আমরা কিছু বলতেও পারি না। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এটার সঠিক বিচার চাই।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এ ঘটনাটি সত্যি । আমি ওই ছেলেদের বাবাদের কাছে বিচার দিয়েছি।
এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাসির উদ্দিন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





