
মর্তুজা শোয়েব,বিশেষ প্রতিনিধি দুমকি পটুয়াখালী:
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অনুষ্ঠিত হয়েছে নবান্নের পিঠা উৎসব। এবারের পিঠা উৎসবে শিক্ষার্থীদের নিজ হাতে হরেক রকমের বানানো বাঙালির ঐতিহ্যবাহী অর্ধশতাধিক নানা রকমের পিঠার দেখা মিলেছে।
মঙ্গলবার (১৩ডিসেম্বর) দুপুর তিন ঘটিকায় পবিপ্রবির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের “অরোধ্য ১৬” ব্যাচের শিক্ষার্থীরা আয়োজন করে হেমন্তের এই নবান্ন পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের।
পিঠা উৎসবে কয়েকটি স্টলে বাহির রকমের পিঠা দিয়ে সাজানো হয়েছে। এসব পিঠা বাঙালি জাতির নানা সম্প্রদায়ের নিজেদের পরিচয় বহন করে। পবিপ্রবির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর মোঃ আবুল বাসার খান উৎসব সম্পর্কে বলেন “আমাদের প্রতিটি শিক্ষার্থী বাঙালীর সংস্কৃতি ধারণ করে পিঠা উৎসবে অংশগ্রহণ করেছে। এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। করোনা পরবর্তী স্থবির ক্যাম্পাসে এ পিঠা উৎসব এবং সাংস্কৃতিক আয়োজন যেন নতুন এক প্রাণের সঞ্চার করলো।
তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ নাহিদ হাসান সোহান বলেন, “অনেকদিন পর ক্যাম্পাসে এরকম একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করাতে ক্যাম্পাস যেন প্রাণের চাঞ্চল্য ফিরে পেয়েছে, ক্যাম্পাসের এ উৎসবের মাধ্যমে আমরা হেমন্তের নবান্ন উৎসবকে বরণ করব ” উক্ত অনুষ্ঠানে বাহারি পিঠা-পুলির প্রদর্শনে ভিড় করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। দর্শকরা এমন আয়োজনে আসতে পেরে উচ্ছ্বাসের কথা ব্যক্ত করেছেন গণমাধ্যমের কাছে। সন্ধ্যায় পবিপ্রবীর ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ মোঃ আরাফাত ইসলাম খান সাগর এবং মেহেদী হাসান তারেক কে সংবর্ধনা দেওয়ার মাধ্যমে শুরু হয় হেমন্তের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষার্থীর গাওয়া গানে মুখরিত ছিল পুরো ক্যাম্পাস।
সকলের স্বতঃস্ফূত অংশগ্রহণ ও আন্তরিকতার মধ্য দিয়ে সফলভাবে পালিত হয় এই হেমন্তের নবান্ন পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ভবিষ্যতে এভাবেই এমন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন উপস্থিত সকলে।





