
কাজী মাহতাব উদ্দিন,পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:
পটুয়াখালী জেলায় চলছে শৈত্য প্রবাহ।পটুয়াখালী শহরের পর্যটন এলাকা ঝাউতলায় প্রতিদিন বিকালে ঘুরতে আসে শত শত মানুষ কিন্তুু শৈত্য প্রবাহের কারণে ঝাউতলা এখন ফাঁকা। ঝাউতলার চটপটি বিক্রয়তা আঃ সালাম বলেন, শীতের কারণে ঝাউতলাতে ঘুতে আসা মানুষ সংখ্যা কমেছে আগের মতো বেচা বিক্রি নেই। সন্ধ্যা নামার পরপর দোকান বন্ধ করে আমরা বাসায় চলে যাই।
এদিকে পূর্ব বড়বিঘাই জনতা স্কুল অ্যান্ড কলেজ এর অধ্যক্ষ, জনাব এ.বি.এম মশিউর রহমান জানান, শৈত্য প্রবাহের জন্য তিন-চার দিন পর্যন্ত শ্রেণিকক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি সংখ্যা কমেছে। এতে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনা ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।
অন্যদিকে জেলায় বাড়ছে ডায়রিয়া, টাইফয়েডসহ পানি বাহিত রুগীদের সংখ্যা। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা ৫০ শয্যা হাসপাতালে ডাক্তার ও নার্সদের রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এ ব্যাপারে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ চিন্ম হাওলাদার সাংবাদিক দের জানান, গত চার দিনে ৩০ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন, কাশি সর্দি রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়েছে।
সাথে সাথে বাড়ছে শীতবস্ত্র চাহিদা ও দাম। আজ বিকালে পটুয়াখালী লঞ্চঘাট সংলগ্ন অস্থায়ী শীতবস্ত্র মার্কেট ঘুরে দেখা যায় শীতবস্ত্র ক্রয় মানুষের উপচে পড়া ভিড়। শীতবস্ত্র বিক্রয়তা মোঃ সজিব (১৮) জানান, গত একসপ্তাহ পর্যন্ত বেচা-বিক্রি খুব ভালোই চলছে দামের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে বলেন দাম আগের মতোই আছে। তবে মোঃ সোহান(৩০) নামের এক ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, দুইটি শীতের গেঞ্জি কিনছি আগের দামের দিগুণ টাকায়। এক জোড়া মোজা কেনার জন্য দাম কসাকসি করে না কিনে চলে যান সোহান।













