
লেখক হায়দার কামাল
★ ভবনগরে সবাই ঘুরে, ক্লান্তি শেষে অপার বেশে
কেউবা আসে উপন্যাসে,কবিতা কিংবা গল্পের বেশে।
রোজ কর্মের গ্লানি শেষে সু্যোগ পেলে-কবিতা কিংবা উপন্যাসে।
লেখক তো নয় ভাই, সাহিত্য কে ভালোবেসে।
“আজ বলবো এমনি এক লেখকের কথা, যিনি আজ উপন্যাসিক হায়দার কামাল নামে পরিচিত। আসছে “”একুশে বই মেলায়”” নতুনরূপে প্রকাশ পেতে যাচ্ছে, হায়দার কামাল এর – ‘আমার দ্বিতীয় স্ত্রী ‘ উপন্যাসটি। হায়দার কামাল যদিও একজন বাংলার ছাত্র কিংবা শিক্ষক নন। তবুও তিনি সাহিত্য অঙ্গনে পা রাখেন হাতে খড়ি দু’চারটা লাইন লিখা-লেখির মাধ্যমে, তিনি একজন বিজ্ঞানের ছাত্র ছিলেন। তাঁর ব্যাক্তি জীবনে স্থান, কাল,পাত্র উপেক্ষা করেছেন, বিভিন্ন জায়গা ও দেশের বাইরে শিক্ষা জীবনে বেশ কিছু সময়।”
প্রবাদ আছে – কৃর্তিমানের মৃত্যু নেই।’
এরই মূল ধারায় চিরকাল থাকবে -কবিতা, গল্প ও উপন্যাসে এই কৃর্তিমান লেখকের বাণী।শিক্ষা জীবন থেকে শিক্ষকতায় এসে তিনি বিভিন্ন বাস্তব চিত্র, প্রাকৃতিক, প্রতিবাদী,সত্য ও ন্যায়ের কথা এই বিপ্লবী লেখক তাঁর কবিতা, গল্প ও উপন্যাসে তুলে ধরেন। এভাবেই এক সময় হায়দার কামাল দু-এক লাইনের ছন্দ, গল্প থেকে আজকে ‘আমার দ্বিতীয় স্ত্রী ‘ উপন্যাসে পাদচারণ করেছেন এ-ই বিপ্লবী বাস্তবমুখী লেখক।
“হায়দার কামাল বর্তমানে একজন কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক। তাঁর নাম- ড. এএইচ এম কামাল। কর্মজীবনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি লেখক হিসেবে হায়দার কামাল নামে আর্বিভূত হয়েছেন “” আমার দ্বিতীয় স্ত্রী “” উপন্যাসের মাধ্যমে। ”
তাঁর জন্ম ১৯৭৬ সালের ৩১ জুলাই নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার আউদাটি গ্রামে। তিনি শিক্ষাজীবনে বিভিন্ন স্তরে বেশকিছু দেশি-বিদেশি স্বনামধন্য প্রতিষ্টানে অধ্যয়ন করছেন। সর্বশেষ বুয়েট, ঢাকা হতে তিনি তাঁর পিএইচডি সম্পন্ন করেন।
২০২০ বইমেলায় তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘ আলোর অাঁধারে’ প্রকাশিত হয়। ‘আমার দ্বিতীয় স্ত্রী ‘ তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস। এছাড়াও তাঁর গল্প, কবিতা, গান ও সায়েন্স ফিকশনের আরও কয়েকটি পান্ডুলিপি আছে যা তিনি ভবিষ্যতে প্রকাশ করবেন।
আমার দ্বিতীয় স্ত্রী ‘ উপন্যাসটি মূলত মানব জীবনে ব্যাক্তির চারিতার্থ রক্ষার্থে হায়দার কামাল উল্লেখ্য বিষয় তুলে ধরেছেন।
উপন্যাসের কিছু সারকথাঃ
মনের খেলার পরান্ত হয়ে এক ফোঁটা বেশি ভালোবাসা লাভের আশায় দেহে পুনঃ প্রেম জ্বরের যে কাঁপুনি ওঠে তার নাম দ্বিতীয় বিয়ে, মূলত এটি বহু দেহে মিলনের এক বৈধ পন্থার নাম। সামাজিক ও ধর্মীয় দায় কাটিয়ে খুঁত বাসনা চরিণার্থ করার একটি সহজ পথের নাম ‘ দ্বিতীয় বিয়ে ‘।
“””আমার দ্বিতীয় স্ত্রী”””
উপন্যাসের পর্ব-১
দুটি আলাদা কবুতর দিয়ে নতুন জোড়া করতে হলে তাদের একত্র করে দু-একদিন খাঁচায় বন্দি করে রাখতে হয়। দু’দিন পরে ছেড়ে দিলে তারা আর বিচ্ছিন্ন হয় না। তবে প্রথম প্রথম পুরুষ কবুতরটি যত বাক-বাকুম করে, নারী কবুতর ততোটাই দূরে সরে তা উপভোগ করে। তারপর তাদের মধ্যে ঠোঁটে ঠোঁটে ভাব করার পর্বটা মধুর-…………………….।





