
মোঃ মোমিনূর রহমান,শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
বাংলাদেশের দক্ষীণ ও পশ্চিম উপকূলিয় জেলা সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উপকূলীয় এলাকায় কৃষিতে সংকট দিন দিন বাড়ছে। এই সংকট কাটিয়ে উঠতে কৃষকদের অভিযোজন চর্চা বাড়াতে ১০ ও ১১ এপ্রিল ২ দিন ব্যাপী কাঁঠালবাড়িয়া গ্রামে সাজুর মোড় সংলগ্ন মাঠে উদ্ভাবনী কৃষি মেলার আয়োজন করেছে কাশিমাড়ী ইউনিয়ন জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরাম। বিকাল ৪:০০ টায় এই উদ্ভাবনী কৃষি মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে স্টল প্রদর্শন কারীদের পুরষ্কার বিতরন ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়েছে এবং সেরা কৃষক কৃষাণী নির্বাচন করে পুরষ্কার ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়েছে। পুরষ্কার বিতরনের পরবর্তীতে এই মৌসুমে শ্যামনগর উপজেলার সুন্সিগঞ্জ, গাবুরা, কাশিমাড়ী ও ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নে ৫৩১ জন কৃষকের মাঝে সবজি বীজ ও জৈব সার বিতরন উদ্বোধন করা হয়।
উক্ত উদ্ভাবনী কৃষি মেলার পুরষ্কার বিতরনী, সমাপনী ও বীজ বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা পরিষদের উপজেলা চেয়ারম্যান এস.এম আতাউল হক দোলন, সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরামের সহ-সভাপতি দেবীরঞ্জন মন্ডল, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ উজ জামান সাঈদ, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খালেদা আইয়ূব ডলি, কাশিমাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিছুজ্জামান আনিচ, জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরামের সম্পাদক, শিক্ষক ও সাংবাদিক রনজিৎ কুমার বর্মণ, অধিপরামর্শ সম্পাদক ও আতরজান মহিলা মহাবিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মানবেন্দ্র দেবনাথ, অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কাশিমাড়ী ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের মহিলা ইউপি সদস্য সাহিদা বেগম, ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ আজাহারুল ইসলাম। আরও উপস্থিত ছিলেন মেলা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও ইউনিয়ন জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরামের সভাপতি মোঃ শফিকুল বারী, লিডার্স এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার আলীম আল রাজী, প্রকল্প সমন্বয়কারী জি. এম মোশাররফ হোসেন, মাঠ সমন্বয়কারী মোঃ শওকৎ হোসেন, মনিটরিং অফিসার রনজিৎ কুমার মন্ডল, নলেজ এ্যান্ড রিসার্স ম্যানেজার কৌশিক রায় প্রমূখ। উক্ত সমাপনী অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ কৃষাণীদের দড়ি টানা, হাঁড়ি ভাঙ্গা খেলা উপভোগ করেন ও স্টল পরিদর্শন করেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন,“ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কৃষিকে প্রাধান্য দিয়েছেন। সেই কৃষিকে প্রাধান্য দিয়ে তিনি কৃষকদের আহবান করেছিলেন যে দেশের এক ইঞ্চি জমি যেন অনাবাদী না থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় লিডার্স এর সহযোগিতায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে উদ্ভাবনী কৃষি চর্চা বাড়াতে এই কৃষি মেলার আয়োজন করেছে। দর্শণার্থীরা এই প্রদর্শণী দেখে বাড়িতে গিয়ে চর্চা করবে বলে আমার বিশ্বাস।
সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি পুরষ্কার ও ক্রেস্ট বিতরন করার পরে কৃষকদের মাঝে সবজি বীজ ও সার বিতরন উদ্বোধন করেন। এই উদ্ভাবনী কুষি মেলাটি লিডার্স এর সহযোগিতায় আয়োজন করা হয়েছে।












