
মো: রবিউল ইসলাম,বিশেষ প্রতিনিধি লালমনিরহাট
গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিএনপি জামাতের সন্ত্রাস, নৈরাজ্য কর্মকান্ডে লাকমনিরনসদর উপজেলা মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের স্থানীয় বুড়ির বাজারের সাধারণ ব্যবসায়ীদের দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নি সংযোগ, বসতবাড়ি ভাংচুরের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট মতিয়ার রহমান।
উক্ত ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও নিরাপদ বাজারের চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো: সাখাওয়াত হোসেন সুমন খান, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: কামরুজ্জামান সুজন, সদর উপজেলা ছাত্র লীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক মেধাবী ছাত্রনেতা মো: লুৎফর রহমান আওরঙ্গ সহ অনেকে।
উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহেন্দ্রনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো: তাহমিদুল হাসান বিপ্লব। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন মহেন্দ্র নগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো: ডা: আহসান হাবীব।
উল্লেখ্য গত ১১ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কর্মসূচী পালনের উদ্দেশ্য শান্তি সমাবেশের আয়োজন করে মহেন্দ্রনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ। অপর দিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে পদযাত্রার আয়োজন করে মহেন্দ্রনগর ইউনিয়ন বিএনপি। সকাল থেকেই সেদিন চলছিল দু’দলের টানটান উত্তেজনা পরিবেশ। দুপুর গড়াতেই দু’দলের দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থক মিছিল নিয়ে উপস্থিত হতে থাকে দলীয় সিদ্ধান্তের নির্ধারিত জায়গায়। আওয়ামীলীগের শান্তি সমাবেশের শুরুর পূর্ব মুহূর্তে জেলা ছাত্রলীগ, সদর উপজেলা ছাত্রলীগ ও মহেন্দ্রনগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সমন্বয়ে একটি বিশাল মিছিল শান্তি সমাবেশ স্থলে আসার প্রাক্কালে মহেন্দ্রনগর ইউনিয়ন বিএনপির পাটী অফিসের সামনে অবস্থানরত দলীয় নেতাকর্মীদের উস্কানীমূলক বক্তব্যর কারনে ও মহেন্দ্রনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো: তাহমিদুল হাসান বিপ্লবের উপর নগ্ন হামলা চালায় বিএনপি। হামলার কথা মুহূর্তে ছড়িয়ে পরলে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে দু’দল, পুলিশ নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়ে ওঠে নি। সেই সংঘর্ষে বিএনপি জামাতের সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও অগ্নিসংযোগের কারনে ক্ষতিগ্রস্ত হয় আওয়ামীলীগের প্রায় ২৩ টি পরিবার। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট, বাড়ীঘড়ে অগ্নিসংযোগ সহ গরু চুরির মত ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়৷ সেই মামলায় এখনও জেল হাজতে রয়েছেন মহেন্দ্র নগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও চেয়ারম্যান মো: আব্দুল মজিদ মন্ডল সহ আরও অনেকে।










