
মো: রবিউল ইসলাম,বিশেষ প্রতিনিধি লালমনিরহাট
বাংলাদেশের গ্রাম অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ তাদের জীবিকার তাগিদে নিজ গৃহে সযত্নে লালন পালন করে থাকে হাস,মুরগী, গরু, ছাগল, মহিষ ইত্যাদি। এ সব গৃহপালিত পশু যেন একটি পরিবারে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এক সময় গরু, ছাগল, মহিষের মূল খাবার ছিল সবুজ ঘাস, ধানের আঁটি, খড়, লবন মিশ্রিত পানি । সময়ের পরিবর্তনে বদলে গেছে গ্রামীন সমাজ । আধুনিকতার ছোঁয়ায় বাজারে এসেছে বিভিন্ন কোম্পানি ভিটেনারি ঔষধ। গাভি মোটাতাজা করুন প্রক্রিয়া এবং অল্প সময়ে অধিকা মুনাফা লাভের আশায় এ সমস্ত ভেটেনারি ঔষধের ব্যাপক চাহিদা এখন সব জায়গায়। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ী বাজার সংলগ্ন স্মৃতিসৌধ সাদেকনগরে মোঃ নুর আলম, পিতা- মৃত. ওয়াহেদ মিস্ত্রী, সাং- তৈলচরতল, ছাটহরনারায়ন, বড়বাড়ী, লালমনিরহাট সদর, লালমনিরহাট; এর ভাড়া বাসায় মোঃ আসাদুজ্জামান, পিতা- মৃত. দবির উদ্দিন, সাং- উজান বোচাগাড়ী, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা; কারখানার মালিক প্রায় এক বছর যাবৎ অবৈধভাবে গবাদিপশুর ঔষধ উৎপাদন ও বিক্রয় করে আসছিল। যা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং গবাদিপশুর জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। এই অবৈধ ঔষধ কারখানাটি এক বছর রমারমা ব্যবসা করেছে গবাদিপশুর অবৈধ ঔষধ বাজারজাত করে।
এ বিষয়টি কখনও নজরে আসেনি প্রানী সম্পদ অধিদপ্তরের। এলাকায় হঠাৎ গুঞ্জন ওঠে অবৈধ ভাবে তৈরি গবাদিপশুর ঔষধ এবং তা সাথে সাথে বাজারজাত করা হচ্ছে। এতে ক্ষতি হচ্ছে গৃহপালিত গবাদি পশুর। বুধবার বিশস্ত সূত্রের সংবাদের ভিক্তিতে সেই অবৈধ ঔষধ কারখানায় অভিযান চালায় ভ্রাম্যমান আদালত।
লালমনিরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাত আরা ফেরদৌস, সদর থানা পুলিশের অফিসারগণ, জেলা প্রাণিসম্পদের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অবৈধ ভেটেরিনারি ঔষধ কারখানাটিতে অবৈধ ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রয় করায় ঔষধ কারখানাটি সিলগালা এবং কারখানার ঔষধ উৎপাদনকারী মালিক এবং কারখানা বা স্থপনার মালিক এর বিরুদ্ধে লালমনিরহাট সদর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করার নির্দেশ প্রদান করেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
পরিচালনার সময় উক্ত ঔষধ কারখানার মালিক প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে পলায়ন করে এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করার পরেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি প্রশাসনের। পরবর্তীতে মোবাইল ফোন বন্ধ করে অবৈধ ভাবে উৎপাদন করা ভেটেনারি ঔষধ কারখানার মালিক। কারখানার ঔষধ উৎপাদন করার কোন ধরনের বৈধ কাগজপত্র, ট্রেড লাইসেন্স দেখাতে পারেনি কারখানায় কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ।













