
মোস্তাফিজুর রহমান স্বপন,স্টাফ রিপোর্টার কুমারখালী কুষ্টিয়া
কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলা পৌরসভার মধ্যে তেবাড়ীয়া ঝাউতলা আগ্রাকুন্ডা খয়েরচারা মাঠপাড়া রেলপাড়া সহ কুমারখালী পৌরসভার প্রত্যেকটি গ্রাম এর ইয়াং ছেলেদের উদ্যোগে মোবাইল এমটি এফই অনলাইন মোবাইল জুয়া খেলার বিরুদ্ধে ২৩/০৮/২০২৩ ইং তারিখ বিকাল ৫ ঘটিকার সময় বিক্ষোভ করেন । বর্তমানে হারাম ইনকামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে বাঁধ ভাঙ্গা বন্যার মত।মোবাইল অনলাইন বিভিন্ন পোর্টালে এর ছড়াছড়ি, তেমনি একটি হচ্ছে এমটি এফই এর মাধ্যমে জুয়ারু ইনকাম।
কুমারখালী উপজেলা থেকে প্রায় ৬৫ কোটি টাকা নিয়ে উধাও এমটি এফই অনলাইন মোবাইল ব্যবসায়ী কুমারখালী উপজেলা তেবাড়ীয়া ঝাউতলা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ মাসুম আলী (সিইও) ও সার্বিক সহযোগিতা করেছেন তার আম্মা রেখা বেগম ( সিইও)এখন তারা দুজনেই পলাতক বর্তমানে তাদের কোন খোঁজ মিলছে না কোনো শহরে । এলাকাতে জনগণের মুখে শোনা যাচ্ছে তারা টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশে আত্ম গোপন করে আছে। হাজারো পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে । ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে জানা যায় যারা এখানে টাকা ইনভেস্ট করেছে। কেউ ব্যাংক হতে ঋণ তুলে টাকা দিয়েছে , কেউ জমি বিক্রি করে টাকা দিয়েছি। কেই অন্যের কাছ থেকে ধার করে টাকা দিয়েছে। আবার কারোর জমানো অর্থ এখানে অনলাইনে মোবাইলে বিনিয়োগ করেছে।
কিছু মানুষের নাম তুলে ধরছি যারা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কুমারখালী তেবাড়িয়া ঝাউতলা গ্রামের নাঈম, বিল্লাল, আমিন, সোহাগ, সিদ্দিক, সালাম, রুবেল, জাহিদ, তুহিন, রবুল, একরামুল ডাক্তার, হাবিব, আসিফ, সোহেল,ফজর আলী ফজলা মনিরুজ্জামান টিটু, মামুন, নিশান শেখ, শিমুল জনি, আজাদ, সহ আরো অনেকেই এরা সবাই এমটি এফই ভুক্তভোগী গ্রাহক। এরা সবাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সরকারের কাছে বিচার চাই এবং সবাই দাবি জানান সরকারের কাছে অনলাইন মোবাইল জুয়া খেলা যেন বাংলাদেশে আর প্রবেশ করতে না পারে। এবং গরিব দুখিনী মানুষ জেন আর বিপদে না পড়ে। সেই সাথে মোঃ মাসুম আলী ও তার আম্মা রেখা বেগম যেই দেশেই থাকুক না কেন খুঁজে বের করে বাংলাদেশ সরকারি আইনের আওতায় এনে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করেন এটাই কুমারখালী উপজেলা বাসীর আকুল আবেদন বাংলাদেশ সরকারের কাছে।











