
গাজিপুর জেলা প্রতিনিধি
ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের মাওনা চৌরাস্তায় সড়কের দুই পাশের ড্রেনেজ ব্যবস্থা খুবই দুর্বল। কোটি কোটি টাকা খরচ করে ড্রেন নির্মাণ করলেও পৌরসভার তদারকির অভাবে বছরজুড়ে ড্রেনে ময়লা আটকে থাকে। ফলে অল্প বৃষ্টি হলেই বন্যার মতো হাঁটু পানি বা কোমড় সমান পানিও জমে যায়। পানি কমতেও দীর্ঘ সময় লাগে, ফলে ড্রেনে জমাট থাকা নোংরা পানি এবং বৃষ্টির পানি মিশে একাকার হয়ে যায়। মানুষ বাধ্য হয়ে জীবিকার তাগিদে ছুটে চলার সময় এসব নোংরা পানি শরীরে লাগে, এতে জনসাধারণ বিভিন্ন ধরনের রোগে আক্রান্ত হয়। এ সমস্যা দুই একদিনের নয়, দুই এক বছরের নয়, প্রায় এক যুগ যাবত এ ধরনের সমস্যায় জর্জরিত মাওনা চৌরাস্তা এলাকার বাসিন্দা ও চলাচলকারী মানুষজন।
গতকাল শনিবার সরেজমিনে দেখা যায়, মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় ময়লা আবর্জনা ফেলার কোনো নির্ধারিত স্থান নেই। এর ফলে যেখানে-সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলে দুর্গন্ধযুক্ত করে তুলছে আশপাশের ব্যবসায়ীগণ।
মাওনা চৌরাস্তা এলাকার বেশ কয়েকটি হোটেল কর্তৃপক্ষ প্রায় এক যুগ যাবত মহাসড়কে নোংরা পানি ফেলছে। হোটেলগুলো হলো, ধামরাই রেস্টুরেন্ট এন্ড মিষ্টি ভান্ডার, চাঁদপুর হোটেল এন্ড মিষ্টি ঘর, নিউ রাজধানী রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটমিট, বরমী মিষ্টি ঘর এন্ড হোটেল ও সুমন বিরিয়ানি হাউজ। উল্লেখিত সবগুলো হোটেল মহাসড়ক লাগোয়া থাকায় তারা ড্রেনেজ ব্যবস্থাকে দোষারোপ করে সরাসরি মহাসড়কে ময়লা ও নোংরা পানি ফেলছে। এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে চলাচলকারী জনসাধারণ।
মাওনা চৌরাস্তার একজন স্থানীয় বাসিন্দা ও চাকুরীজীবি আব্দুল বলেন, প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়েই চলাচল করতে হয়। এখানে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে খুব। এ কারণে এদিক দিয়ে যাতায়াত করা খুবই কষ্টসাধ্য। যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এই সমস্যাটি সমাধানের দাবি জানাচ্ছি।
এসব বিষয়ে অভিযুক্ত চাঁদপুর হোটেল মালিক আছলাম উদ্দিন বলেন, ‘আমরা এই বিষয় নিয়ে পৌরসভায় আলোচনা করেছি, সাময়িক সমস্যার জন্য ড্রেন বন্ধ হওয়ার কারণে এটা পরিষ্কার করার পরেও সেই আগের মতই পানি জমে। এখানে আমাদের কিছু করার নেই, আমরা এসব পানি ফেলবো কোথায়’? অপরদিকে রাজধানী হোটেল মালিক দুলাল বলেন, আমরা পৌরসভাকে অবগত করেছি। আশেপাশে যে হোটেল রয়েছে সবগুলাকে আমি জানিয়েছি এখানে ময়লা আবর্জনা দূষণ পানি না ফেলতে। ধামরাই ও নিউ রাজধানী হোটেল কর্তৃ











