
মর্তুজা শোয়েব,বিশেষ প্রতিনিধি দুমকি পটুয়াখালী
দুমকি-বাউফল মহাসড়ক যেন এখন গাছ ব্যবসায়ীদের দখলে। সড়কটি দিন দিন মৃত্যুর ফাঁদে পরিনত হয়েছে। সড়ক দখল করে অবৈধভাবে পার্কিং, বাড়ি-ঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ এদেশে নতুন কোন ঘটনা নয়। তবে সেই তালিকায় এবার যুক্ত হয়েছে কাঠ ও গাছ ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিনে সোমবার বেলা ১১ টায় পাগলে থেকে চরগরবদি ফেরিঘাটে পর্যন্ত মাদ্রাসা ব্রিজ, লাল খাঁন ব্রিজ, উপজেলার পশ্চিম পার, সরকারি জনতা কলেজ সামনে, নতুন বাজারের পূর্ব পাশে বালুর মাঠ সংলগ্ন, থানা ব্রিজ, তালতলি বাজার এলাকা, বোর্ড অফিস বাজার এলাকা ও আঙ্গারিয়া ব্রিজ সহ উপজেলায় অন্তত ২০ স্পটে দিনের পর দিন ফেলে রাখা হয় গাছের টুকরো গাছের লাকড়ি।
অভিযোগ রয়েছে প্রশাসনের চোখের সামনে বছরের পর বছর এই অবৈধ কর্মযজ্ঞ পরিচালনা করা হলেও কোন এক অজানা কারণে কোনদিন আইন প্রয়োগ করা হয়নি।
এ বিষয় সুমন হাওলাদার নামে এক বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, প্রত্যান্ত এলাকা থেকে গাছ ক্রয় করে সেগুলো কেটে আনেন ব্যবসায়ীরা। সেই গাছ ও গাছের লাকড়ি দিনের পর দিন ফেলে রাখা হয় সড়কের পাশে। এরফলে সড়কের ফুটপাত ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্থ হয় পাশাপাশি দূর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো যদি কোন দূর্ঘটনা ঘটে তাহলে এই দ্বায় দ্বায়িত্ব কে নেবে। আমরা সাধারণ মানুষ এই অনিয়মের প্রতিকার দেখতে চাই।
মো: নাইম নামের এক মটরসাইকেল চালক অভিযোগ করে বলেন, ব্যবসায়ীরা সড়কের উপর বড় কভারভ্যান ও ট্রাক পার্কিং করে গাছ ও লাকড়ির উঠানো নামানো করেন। তারা মানুষের জীবনের কোন গুরুত্ব না দিয়ে দিনের পর দিন এই ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছে। এতে সড়ক দুর্ঘটনার মাত্রা আগের চেয়ে কয়েকগুন বেড়েছে। আমরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি তারা যেন এই অবৈধ কর্মযজ্ঞ বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহিন মাহমুদ বলেন, বিষয় টি আমার জানা ছিলো না। আমি এখনি পুলিশ পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি।












