তারেক রহমানের সহযোগিতা চাইলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া ক্যান্সার আক্রান্ত তামিমের মা

0
25

মোঃ সাখাওয়াত হোসেন মামুন,পূর্বধলা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

“মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য”—এই আশাতেই বুক বাঁধছেন এক অসহায় মা, যাঁর ছেলে এখন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছে। নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার খলিশাপুর ইউনিয়নের পাবই গ্রামের মেধাবী ছাত্র মেহেদী হাসান তামিম, যার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির স্বপ্ন এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থমকে আছে।

তামিম এবছর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছে। পিএসসি, জেএসসি এবং এইচএসসিতে গোল্ডেন এ+ পাওয়া এই মেধাবী শিক্ষার্থীর জীবনে হঠাৎ নেমে আসে অন্ধকার। দাঁতের মাড়ি ফোলার মতো সামান্য একটি অসুস্থতা থেকে ধীরে ধীরে তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে। প্রাথমিকভাবে শ্যামগঞ্জ বাজারের একটি ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা নিলেও পরে জানা যায় সে ক্যান্সারে আক্রান্ত।

চিকিৎসার প্রয়োজনে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে রেফার করা হয়। শেষমেশ ভর্তি করা হয় ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে। বর্তমানে তামিম সেখানে চিকিৎসাধীন।

তামিমের পিতা পাঁচ বছর আগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। মা কৃষিকাজ করে দুই সন্তানকে লেখাপড়া করানোর সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছিলেন। ছোট বোন এখনো পড়াশোনা করছে অষ্টম শ্রেণিতে। সংসারে উপার্জনের কোনো স্থায়ী উৎস নেই। একটি গরু বিক্রি করে চিকিৎসার শুরু হলেও ব্যয় এখন হাতের বাইরে চলে গেছে।

তামিমের মা বলেন, “আমরা গরীব মানুষ। যা ছিল, সব বিক্রি করে চিকিৎসা চালাচ্ছি। মানুষের সাহায্যে কিছুটা এগুতে পেরেছি, কিন্তু দিন দিন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। বসতভিটা ছাড়া আর কিছুই নেই। ছেলেকে বাঁচাতে প্রয়োজন সুচিকিৎসা। শুনেছি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান অনেক দয়ালু মানুষ, অনেকের চিকিৎসা করিয়েছেন। আমার আকুতি, আপনারা মিডিয়ার মাধ্যমে তার কাছে খবরটা পৌঁছে দিন। হয়তো তিনি জানলে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিবেন।”

এই মুহূর্তে তামিমের পরিবারের সবচেয়ে বড় চাওয়া—ছেলেটা আবারও সুস্থ হয়ে ফিরে আসুক। তার মেধা, স্বপ্ন, ও সংগ্রাম যেন অসামাপ্ত না থেকে যায়। একজন মায়ের চোখে তার সন্তানের চেয়ে বড় কিছু নেই।


তারেক রহমানের সহযোগিতা চাইলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া ক্যান্সার আক্রান্ত তামিমের মা

Share this news as a Photo Card

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here