
মোহাম্মদ রায়হান,কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি:
আমাদের সমাজে বর্তমান সময়ে অনেকে বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথে প্রতিনিয়ত জড়িত। কিন্তু এ যেন এক ভিন্ন মানুষ, ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সমাজের অসহায়, দরিদ্র মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত ।
হবিগঞ্জ জেলার সানজানা শিরিন নামে এক সাহসী দুরদর্শি মেয়ে। পেশায় একজন মেডিকেল এ্যাসিস্টেন। মৌলভীবাজার জেলার একটি হসপিটালে তিনি কাজ করেন।
বর্তমান সময়ে দেখা যায় আমরা নিজের ইচ্ছে, চাহিদা, সুখ,আনন্দ নিয়ে চিন্তা করি।কিন্তু এ যেন এক ভিন্ন চালচলন।
সানজানা শিরিন প্রতিনিয়ত মানবতার কল্যাণে নিজের জীবনকে অকাতরে বিলিয়ে দিচ্ছেন। এ পর্যন্ত ৬৯০+ নরমাল ডেলিভারি করে শতশত চা-শ্রমিক মা ও শিশু জীবন বাঁচিয়েছেন।যারা কি না টাকার অভাবে ভালো চিকিৎসা পান না। শুধু তাই নয় রক্তের অভাবে অকালে হারিয়ে যাচ্ছে হাজার হাজার প্রান।সময় মতো পাচ্ছেন না রক্ত পড়ছেন ভোগান্তিতে ও দালালের কবলে।তাই সানজানার মাধ্যমে স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের রক্তদানে প্রায় ৪ হাজারের অধিক বিভিন্ন রোগের রোগীর রক্ত সংগ্রহ করে দিয়েছেন তিনি। এবং প্রত্যেক দিন একের পর এক ইভেন্ট সহ ছাত্রছাত্রীদের বই পড়ার খরচ,বাজার খরচ,বিভিন্ন জিনিসপত্র,খাদ্যসামগ্রী, তরিতরকারিসহ,যারা টাকার অভাবে ভালো চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন না তাদের আর্থিক অনুদান, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে সবসময় রক্তে মাংসে মিশে আছেন শিরিন।
তার এরকম একের পর এক সামাজিক কাজ দেখে সমাজের স্টুডেন্ট থেকে শুরু করে বয়স্ক ব্যক্তিরাও তার এই মানবতার কাজে অংশ গ্রহণ করছেন। এতে আমাদের সমাজে অনেক পরিবর্তন দেখা দিচ্ছে।
সানজানা শিরিন ফেসবুক আইডিতে পোস্টের মাধ্যমে বিত্তবান শ্রেণির লোকজন সহ যারা স্বেচ্ছায় আর্থিক অনুদান দিয়ে তার উদ্যোগী সকল কাজে অংশগ্রহণ করছে।এতে সমাজ এমনকি দেশ থেকে অনেক সমস্যা ও ভোগান্তি বিলুপ্ত হচ্ছে।
সানজানার মানবতার কাজ দেখে প্রতিনিয়ত উৎসাহিত হচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোক। তার এরূপ কাজ দেখে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক সহ অনেক গুণীজন প্রসংশার দাবি জানিয়েছেন।
আমাদের সমাজে এবং দেশে প্রতিটি ঘরে যেন সানজানার মতো একটি মেয়ে জন্ম নেয়। সে একটি মেয়ে হয়ে যদি এরকম কাজ করতে পারছে তাহলে আমরা কেন পারবো না।
আসুন দেখে বদলাই,শিখে বদলাই





