
মনিরুজ্জামান মিল্টন, যশোর জেলা প্রতিনিধি:
অভয়নগরে দুই ২ কন্যা শিশুসহ মায়ের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার সময় উপজেলার চাপাতলা নগরঘাটের একটি ঘাসবন থেকে লাশ তিনটি উদ্ধার করে। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে জহিরুল ইসলাম বাবু (৩৩)কে গ্রেফতার করেছে।
আটক জহিরুল ইসলাম বাবু যশোর সদর উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের মশিয়ার রহমান বিশ্বাসের ছেলে।
নিহতরা হলেন স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বিথি (২৮),কন্যা সুমাইয়া খাতুন (৯) ও দুই বছরের শিশুকন্যা সাফিয়া। আটক জহিরুল ইসলাম নিহত সাবিনা ইয়াসমিন বিথির স্বামী।
নিহত সাবিনা ইয়াসমিন বিথির পিতা মুজিবর রহমান জানান, গত একমাস আগে আমার মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিন বিথি ও তার দুই কন্যা আমাদের বাড়িতে বেড়াতে আসে। গতকাল শুক্রবার আমার জামাই জহিরুল ইসলাম বাবু আমার মেয়ে ও তার দুই কন্যাকে নিতে আসে। সকাল সাড়ে ১১ টার সময় আমাদের বাড়ি থেকে তারা রওনা দেয়। এরপর আমার বিয়াই (জামাই জহিরুলের পিতা) বিকাল ৫ টায় ফোন করে বলে আমার ছেলেকে আটক করে পুলিশে দিয়েছি আপনারা চলে আসেন। এরপর জানতে পারি আমার মেয়ে ও তার দুই কন্যাকে জামাই খুন করেছে।
তিনি আরো জানান ১২/১৩ বছর আগে যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের মুজিবর রহমানের ছেলে জহিরুল ইসলাম বাবুর সাথে আমার মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাদের মধ্যে ঝসড়া বিবাদ লেতেই থাকতো। গতকাল শুক্রবারও আমার বাড়িতে তাদের মধ্যে বাগবিতন্ডা হয়। এরপর তারা আমার বাড়ি থেকে রওনা দেয়। ঘাতক জহিরুল ইসলাম দুপুর দেড়টার দিকে তার স্ত্রী ও তার কন্যাদের গলা টিপে ও গলায় গামছা পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ঘটনাস্থলে লাশ ফেলে বাড়ি চলে যায়। বাড়িতে গেলে তার পরিবারের লোকজনের তার গতিবিধি দেখে সন্দেহ হয়। তারা তাকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশের প্রাথমিক জিঞ্জাসাবাদে জহিরুল হত্যাকান্ডের বিষয়টি স্বীকার করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়িী ঘটনাস্থল থেকে লাশ তিনটি উদ্ধার করে।
অয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম শামীম হাসান বলেন “ স্বামী জহিরুল ইসলাম বাবু কতৃক স্ত্রী ও দুই কন্যাকে হত্যা করে। নিহত তিন জনের লাশ উপজেলার চাপাতলা নগরঘাটের ঘাসবন থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। কেন বা কি কারনে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে তা এ মুহুর্তে বলতে পারছিনা।













