
মিলি সিকদার,ভোলা জেলা প্রতিনিধি:
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কুতুবা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে মো:বশিরের ছেলে জুয়েলের বিরুদ্ধে তার স্ত্রী গৃহবধূ মিতু কে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ করে মিতুর বাবা বশির আহম্মেদ জানায়,আমার জামাতা জুয়েল তার মা হাজেরা
বেগম ও তার বাবা বশির আহম্মেদ আমার মেয়ে মিতুর সাথে প্রায় ঝগড়া বিবাদ করত। এই ঝগড়া বিবাদের রেশ ধরে তারা প্রায় আমার মেয়ে মিতুকে মারধর করত।এই অবস্হা নিয়ে প্রায় কয়েক দফা সালিশি করা হয়। গত বৃহস্পতিবার দুপুর আনুমানিক ১২ টায় জুয়েল আমাকে ও আমার স্ত্রী কে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের বাড়ি ডেকে নেয়। গিয়ে দেখি আমার মেয়ে কান্না করছে জিজ্ঞেস করলাম কি হয়েছে মিতু জানায় বাবা আমার স্বামী বলেছে আমি যদি তার সংসার করি তাহলে আমি আমার বাবার সাথে যেনা করব। এই কথা শুনে আমি আমার মেয়েকে আমার সাথে নিয়ে আসতে চাই কিন্তু মিতুর শ্বশুর বাড়ির লোক আমায় ওকে দেয় নি।একই দিনে রাত আনুমানিক এগারোটা লোক মারফতে আমার জামাই খবর দেয় আমার মেয়ে অসুস্থ আমারা সরেজমিনে গিয়ে দেখি আমার মেয়েকে হত্যা করে মাটিতে শুইয়ে রেখেছে, তখনও পুলিশ আসেনি।আমি বোরহানউদ্দিন থানায় গেলে ওসি আমার মামলা নেয়নি।বরং আমাকে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করতে বলে।এমনকি আমার কাছ থেকে জোর করে স্বাক্ষর নেয়। বোরহানউদ্দিন থানার পুলিশ এসে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা মর্গে প্রেরণ করেছে। সাবেক মহিলা মেম্বার বিনু বেগম জানায়, নিহত গৃহবধুর সাথে তার স্বামীর প্রায়ই ঝগড়া হত। বৃহস্পতিবার সকালে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়।তিনি ইতিমধ্যে তাদের পাঁচটি সালিশ করেছেন। ঝগড়া শুনে তিনি যখন জুয়েল দের বাসায় যায় তখন জুয়েলের মা হাজেরা আমাকে বললো আপা আপনি এখান থেকে চলে যান। পরে তিনি বাসায় চলে যায়। তিনি মনে করছেন মিতু বেগমকে হত্যা করা হয়েছে।নিহত ওই গৃহবধু কাচিয়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের বশিরের মেয়ে। অন্যদিকে নিহতের মা জানান, মিতুকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। তার স্বামী জুয়েল ও শ্বাশুড়ি তাকে হত্যা করে ফাঁসির নাটক সাজিয়েছে। মেয়ে হত্যার বিচার চান তিনি।বোরহানউদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহিন ফকির (বিপিএম) জানান, লাশ পোস্টমর্টেম করা হয়েছে। থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। পোস্টমর্টেম এর রিপোর্ট আসলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।আসলে জনমনে প্রশ্ন মিতুর এই মৃত্যু হত্যা নাকি আত্মহত্যা।





