
মোঃ আল ইমরান,স্টাফ রিপোটার নেত্রকোনা
পূর্বধলা উপজেলার শ্যামগঞ্জ বাজারেরপাশ দিয়ে প্রবাহিত সোয়াই নদী পুর্নখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেত্রকোনাজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহীপ্রকৌশলী মো. সারওয়ার জাহান।
এরফলে দীর্ঘ ৫০ বছর পর এই নদী হারানো যৌবন ফিরে পাবে বলে মনে করছেন উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ।সারোয়ার জাহান বলেন, ৪৬কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এবং ২০ মিটারপ্রস্তের নদীটি খননের ব্যয় ধরা হয়েছে২৬ কোটি ৭১ লাখ টাকা। মেসার্স ইউসুফ ব্রাদার্স এবং আমিন অ্যান্ডকোম্পানি নামের দুটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান খননের কাজ পেয়েছেন।খুব দ্রুত অবৈধভাবে নদী দখলদারদের উচ্ছেদ ও নদীর সীমানানির্ধারণ করা হবে। পূর্বধলা শিমুলকান্দি থেকে খননের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী অক্টোবর নভেম্বর মধ্যে কাজ শেষ হবে।
সোয়াই নদীর উৎপত্তি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর চরনিলক্ষীয়া ভাটিপাড়া থেকে। এটি কামারিয়া ইউনিয়নের কাশিগঞ্জ বাজার দিয়ে গৌরীপুর উপজেলার ১নং মইলাকান্দার সাতপাই গ্রামের মাঝ বরাবর নওপাইও শ্যামগঞ্জ বাজারের পাশ দিয়েপ্রবাহিত হয়ে হাফেজ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজের সামনে দিয়ে পূর্বধলায়পতিত হয়েছে। ভূগী পশ্চিম পাড়ায় দাপুনিয়া বাজারের সঙ্গে কুকুয়ালি খাল হয়ে নেত্রকোনার মোগরা নদীতে গিয়ে মিলেছে। নবনির্বাচিত নেত্রকোনা ৫ আসনের সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় আওয়ীমীলীগ এর পাঁচ বারের সাংগঠনিক সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা আহমদ হোসেন বলেন খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে নদী খননের কাজ শেষ হবে ও অবৈধ নদী দখলদারদের উচ্ছে করা হবে। নিজ দলের লোক হলেও কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
পূর্বধলা উপজেলার নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ খবিরুল আহসান বলেন,নদী খননের ফলে একদিকে যেমন প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা হবে, তেমনি নদী তাহার হারানো যৌবন ফিরে পারে। নেত্রকোনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক এফ, এস মোবারক আলী বলেন,সোয়াই নদী একটি ওগুরুত্বপূর্ণ নদী, নদী খননের ফলে একদিকে নদী যেমন তার হারানো গতি পথ ফিরে পাবে অপর দিকে কৃষকরা কৃষি কাজের জন্য পর্যাপ্ত পানি পাবে।নেত্রকোনা জেলার জেলা প্রশাসক শাহেদ পারভেজ বলেন,বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ।এদেশের অনেক নদী নালা ভূমি দস্যুরা জোর পূর্বক দখল করে ভরাট করে ফেলতেছে,তেমনি সোয়াই নদীর অনেক জায়গা দখল করে ভরাট করে ফেলেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে।
গোহালাকান্দা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বলেন, এক সময় সোয়াই নদীতে প্রচুর মাছ পাওয়া যেত,আজ নদীটি প্রায়মৃত, নদী খননের কাজ যেহুত শুরু হয়েছে,সে ক্ষেত্রে আমরা অত্র এলাকার মানুষ আনন্দিত ওখুশি। তিনি আরও বলেন আর যাতে নদী কেউ ভরাট করে দখল করতে না পারে, সে ব্যাপারে পূর্বধলার সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা আহমদ হোসেন ও গৌরীপুর উপজেলার সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট নিলুফার আনজুম পপি আমাদের সার্বিক সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।













