
মর্তুজা শোয়েব,বিশেষ প্রতিনিধি দুমকি পটুয়াখালী
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) শিক্ষক লাঞ্ছনা ও হত্যার হুমকির ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহ এবং অভিযুক্তকে শাস্তির হাত থেকে রক্ষার চেষ্টায় এবার মাঠে নেমেছে কর্মকর্তারা।
গত কয়েকদিন নিরব থাকলেও সহকর্মীকে শাস্তির হাত থেকে বাঁচাতে বৃহস্পতিবার প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানব বন্ধন ও সমাবেশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা। পবিপ্রবি অফিসার্স এসোসিয়েশনের ব্যানারে কর্মস্থলে নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখা সহ সহকর্মী শামসুল হক রাসেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে অসত্য উল্লেখ করে ন্যায় বিচারের দাবি জানান তারা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন যদি কোন কর্মকর্তা অপরাধ করে থাকে তবে শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী তার বিচার হবে। কোন গোষ্ঠির চাপে যদি কোন কর্মকর্তাকে অন্যায় ভাবে শাস্তি দেয়া হয় তবে আন্দোলনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে অচল করে দেয়ার হুমকি দেন তারা।
অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডেপুটি রেজিষ্ট্রার মো: সাইদুর রহমান জুয়েলের সভাপতিত্বে সমাবেশে সাধারণ সম্পাদক ডেপুটি রেজিষ্ট্রার মো: ওয়াজকুরুনী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে এযাবৎকালে যত অন্যায় হয়েছে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে তার বিচার হোক। কিন্তু মুরগি চুরির দায়ে ফাঁসিতে দিবেন, নিজেরাই অন্যায়ের শাস্তি দাবি করবেন, নিজেরাই তদন্ত কমিটিতে থেকে বিচারের রায় দেবেন, বলবেন আমার উপরে আঘাত করা হয়েছে এর বিচারের রায় ফাঁসি না হলে মানবো না, এটা কোন ধরনের যুক্তিসংগত কথা? সহকর্মীর প্রতি অন্যায় বিচার হলে আরো কঠোর কর্মসূচী গ্রহণের হুশিয়ারি দেন তিনি।
অপর দিকে অভিযুক্ত কর্মকর্তা সেকশন অফিসার পিএ টু প্রভিসি শামসুল হক রাসেলের বহিস্কারের দাবিতে সকাল থেকে ক্লাশ ও পরীক্ষাসহ সকল একাডেমিক কার্যক্রম বর্জণ করে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচী এবং শিক্ষক লাঞ্ছিতের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষকরা। শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফসর ড. জেহাদ পারভেজর সভাপতিত্বে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচীতে অংশনেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো: আসাদুজ্জান মিয়াসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যানসহ শিক্ষকরা। এসময় তারা রাসেলের শাস্তির আদেশ না হওয়া পর্যন্ত কেউ ক্লাশে না গিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাবার ঘোষনা দেন। শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষায় শিক্ষার্থীরাও একাত্মতা প্রকাশ করে













