বরগুনাতে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অবহেলায় বিদ্যুৎতায়িত হয়ে এক রোগীর বোনের হাত কেটে ফেলার অভিযোগ

0
119

কাজী মাহতাব উদ্দিন,পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

পটুয়াখালী সদর উপজেলাধিন বড় বিঘাই ইউনিয়নের তিতকাটা গ্রামের অধ্যাপক মাও. আব্দুল খালেক নেছারী এর মেয়ে মার্জিয়া আক্তার কলেজ পড়ুয়া একজন মেধাবী শিক্ষার্থী আপন বড় বোনের সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য এসেছেন বরগুনা আমতলী উপজেলার আমতলী-কুয়াকাটা সড়কের সময় মেডিকেয়ার এন্ড হসপিসে। বোনের ফুট ফুটে পুত্র সন্তান হয়েছে, সবাই আনন্দে আপ্লুত। সেই শিশু সন্তানের কাথা এবং বোনের শাড়িকাপড় রোদে শুকানোর জন্য ১৪ই অক্টোবর গিয়েছেন ক্লিনিকের ছাদে কিন্তু কিছু বুঝে ওঠার সাথে সাথে তাকে বিদ্যুৎ এ আটকে ধরে। তার কিছুটা দূরে ছিল অন্য আরেক ছোট বোন সে দেখে মারজিয়া আপু নির্বাক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এবং কোমরে ও হাতের আগুন ধরে গেছে তখন ছোট বোন চিৎকার দিলে লোকজন ক্লিনিকের মেইন সুইচ বন্ধ করে দিলে মারজিয়া লুটিয়ে পড়ে যায়।

তাকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে প্রথমে বরিশাল এবং পরবর্তীতে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন আছে।

চিকিৎসার একপর্যায় ১৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ডান হাতের সম্পূর্ণ অংশ কেটে ফেলতে হয়েছে বর্তমানে পিঠের পুরো পোড়া অংশে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুতে পোড়া অংশে বড়বড় ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। এখন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে হাসপাতালের বেড়ে মৃত্যু যন্ত্রণায়।

এদিকে ঘটনায় মার্জিয়া স্বজনেরা ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করে আমতলী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।

অন্যদিকে অভিযোগ আছে ক্লিনিকের মালি পক্ষ প্রভাবশালী হওয়া বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপে অনৈতিক কাজের জন্য পারপেয়ে যায়।

এদিকে এ ঘটনা ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছে পলাশ তালুকদার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সময় মেডিকেয়ার অ্যান্ড হসপিস।

তবে এবিষয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম।


বরগুনাতে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অবহেলায় বিদ্যুৎতায়িত হয়ে এক রোগীর বোনের হাত কেটে ফেলার অভিযোগ

Share this news as a Photo Card

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here