বোরহানউদ্দিনে মানবাধিকার এর নামে অসহায় মানুষের সাথে প্রতারণা।

মিলি সিকদার,ভোলা জেলা প্রতিনিধি:

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার দৌলতখান উদয়পুর রাস্তার মাথা ৩ নং ওয়ার্ডের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান ও বাস্তবায়ন সংস্থার নামে আমিনুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে স্হানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ।

আজ আসর বাদ স্হানীয় ভুক্তভোগীরা মানববন্ধন করেন মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান ও বাস্তবায়ন সংস্থার ভোলা জেলার সভাপতি আমিনুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে একাধিক অসহায় মানুষের উপকারের নামে আর্থিক লেনদেনর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন – পক্ষিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন সর্দার, তিনি মানববন্ধন অনুষ্ঠানে বলেন – মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান সংস্থার আমিনুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে যেই অভিযোগ করেছেন, এই বিষয়ে ভুক্তভোগী অনেকেই অভিযোগ করেছেন, তবে আইন হাতে তুলে নেওয়া যাবেনা, আপনারা শান্ত থাকেন, প্রয়োজনে আমাদের নেতা আলহাজ্ব আলী আজম মুকুল এমপি মহোদয়কে এই বিষয় আবগত করা হবে। পাশাপাশি আইনের সহযোগিতা নিবো। সে যদি দোষী হয় তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

মানববন্ধনে ভুক্তভোগী পারুল বেগম বলেন – ২৩-০৯-২০২২ তারিখে আনুমানিক রাত ৮ টার দিকে আমাকে বাড়ীতে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। আমার মেয়ে, আমার চিৎকার শুনে জোরে চিৎকার করে উঠলে আমিনুল ইসলাম দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে স্হানীয় লোকজন এলে পুরো ঘটনাটি তাদেরকে জানাই, তারা এই বিষয়টি নিয়ে আমিনুল ইসলাম এর সাথে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেন। বিচার চেয়ে, বিচার না পাওয়ায় আদালতে গিয়ে আমিনুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করি। আমি কেন মামলা করলাম, এই জন্য আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করে। বিভিন্ন লোকজন দিয়ে আমার নাম্বারে কল দিয়ে মামলা উঠানোর জন্য হুমকি দিয়ে আসছে।

মামুন নামে এক ভুক্তভোগী জানান- পারুল বেগম এর সাথে জোসনার জমিজমা সংক্রান্ত একটি লেনদেন হয়, উভয় পক্ষের শালিস আমি ও আমিনুল ইসলাম ছিলেন। এর বাহিরে আমি কিছুই জানিনা,

আমিনুল ইসলাম আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট ৩ টি মামলা করেন। এইখানে আমার কি দোষ, আমি একজন শালিস হিসেবে উপস্থিত ছিলাম এই জন্যই কি আমার অপরাধ। যদি এই জন্য আমার অপরাধ হয় তাহলে প্রশাসনের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আমি দোষী হলে আইন আমাকে যে সাজা দিবে আমি মাথা পেতে নিবো।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় – মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান সংস্থার নামে সাইনবোর্ড ব্যবহার করে আমিনুল ইসলাম শালিস মিমাংসার নাম করে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে থাকে। কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বললে মানবাধিকার কর্মী বলে হুমকি দেন। এছাড়াও জ্বীন ব্যবসার সাথেও জড়িত বলে জানা যায়। আজ স্হানীয় লোকজন একজোট হয়ে আমিনুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেন। তাদের দাবী আমিনুল ইসলামের শিক্ষাগত যোগ্যতা যাচাই-বাছাই করা হউক। সে পাইভ পাস কিনা এটাও সন্দেহ আছে। একজন অযগ্য লোক এমন একটি প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হয় কি ভাবে। তা খতিয়ে দেখা হউক।


বোরহানউদ্দিনে মানবাধিকার এর নামে অসহায় মানুষের সাথে প্রতারণা।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

0FansLike
3,912FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles