
শফিকুল ইসলাম,আদিতমারী (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি:
আদিতমারীতে কমিটি নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ায় পুলিশ, সাংবাদিক ও পথচারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার,(২৬ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলা সদরের আওয়ামীলীগ দলীয় কার্যালয়ের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান,
গত ৮ অক্টোবর ওই উপজেলায় আওয়ামী লীগের সম্মেলন হলেও কমিটি প্রকাশ না করে কেন্দ্রীয় নেতারা চলে যান। গত ১৯ নভেম্বর তিস্তা ব্যারেজ অবসরে জেলা কমিটির সভায় মোহাম্মদ আলীকে সভাপতি ও রফিকুল আলমকে সাধারণ সম্পাদক করে একটি কমিটি প্রকাশ করে।
কমলাবাড়ী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মাহমুদ ওমর চিশতী গ্রুপকে সমুলে বঞ্চিত করে কমিটি ঘোষনা দেয়ায় বঞ্চিত গ্রুপটি হাইব্রীড কমিটি বাতিলের দাবিতে দলীয় কার্যালয়ে বিক্ষোভ মিছিলসহ টানা কর্মসুচি পালন করে আসছে। এ দিকে নতুন কমিটি শনিবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসুচির কারনে সংঘর্ষ এড়াতে পুর্ব থেকেই ঘটনাস্থলে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। নতুন কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলী ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলমের নেতৃত্বে বুড়িরবাজার থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে দলীয় কার্যালয়ের দিকে আসছিল। মিছিলটিতে বেশ কিছু নেতাকর্মী প্রকাশ্যে দেশি অস্ত্র প্রদর্শন করে। এতে আতংকিত হয়ে পড়ে পুরো জনপদ। মুহুর্তে বন্ধ হয়ে যায় সকল দোকান বিপনী বিতান। লালমনিরহাট বুড়িমারী মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। একই সময় পদবঞ্চিত গ্রুপটি দলীয় কার্যালয়ে হাইব্রীড কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করে। নতুন কমিটি গ্রুপের মিছিল দলীয় কার্যালয়ে পৌছলে উভয় পক্ষের উসকানীমুলক স্লোগানে উভয় পক্ষে ইটপাকটল ছুড়ে সংঘর্ষে জড়ায়। আদিতমারী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোক্তারুল ইসলাম বলেন, দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসুচি ছিল। দুইটি গ্রুপই মুখোমুখি স্থানে পৌছলে উসকানী মুলক স্লোগানে সংঘর্ষে জড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ৩ রাউন্ড সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়েছে।












