
খন্দকার ছদরুজ্জামানঃনড়াইল জেলা প্রতিনিধি
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের মরিচপাশা গ্রামের মৃত নাদের হোসেন সরদারের ছেলে মৃত নজরুল ইসলাম ওরফে জাফর সরদার সেনাবাহিনীতে চাকরি করা কালীন পাগল হয়ে বাড়ি চলে আসলে তার আপন ভাই রফিকুল সরদারের ছেলে ধলু সরদার তার সম্পত্তি বিক্রি করেছে বলে অভিযোগ করেন পাগল সেনা সদস্যের ছেলে মোঃ শাফায়েত ইসলাম নিপুন।
এ বিষয়ে নিপুন সরদার অভিযোগ করে বলেন, আমার পিতা মরহুম জাফর সরদার একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা,শ্রী মতি ইন্দ্রা গান্ধীর হিন্দি লাল বইয়ের লিস্ট অনুসারে,আমরা তার সন্তান হিসাবে কোন ধরনের সুযোগ সুবিধা পাই নি।তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩ বেঙ্গল রেজিমেন্টের ল্যান্স নায়েক হিসাবে চাকুরী রতো অবস্থায় মস্তিষ্ক বিকৃত হওয়ার কারনে সেচ্ছায় তাকে অবসরে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়, এমতঅবস্থায় আমার আম্মা ঝর্ণা বেগম অসুস্থ থাকায় আমার মা ক্যান্সারের রোগী ছিলেন, তিনি মামা বাড়ি লোহাগড়াতে চিকিৎসারত অবস্থায় থেকে ২০০৫ সালের ২৫শে মে পরপারে পাড়ি দেন এবং আমরা দুই ভাই বোন নাবালক থাকায় আমার চাচাতো ভাই লিটু সরদারের স্ত্রী নিলুফা বেগম আমার বাবাকে সার্বিক ভাবে দেখাশোনা করেন।
এ বিষয় নিলুফা বেগম বলেন, আমার চাচা শোশুর মরহুম জাফর সরদার তিনি পুরাপুরি পাগল ও বিছানাসজ্জা অবস্থায় থাকেন তাঁর কাপড় থেকে খাওয়া-দাওয়া সহ সকল কাজ আমি নিজে দেখাশোনা করেছি এবং তিনি আমার হতের উপরে ২০০৮ সালের পহেলা জানুয়ারি মরিচ পাশা তার নিজ বাড়িতে পাগল অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। আমার জানা মতে তোয়াক্কেল মৌলভীর নিকট আমার ভাসুর ধলু সরদার আমাদের বাড়ির রাস্তার পশ্চিম পাশে ২৯ শতাংশ জমি বিক্রি করেন যার হালদাগ ৬৬৬ নম্বর ।এ বিষয়ে একই বক্তব্য দেন মৃত জাফর সরদারের চাচাতো ভাই মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে বাবুল সরদার।
এ বিষয়ে নিপুন সরদার বলেন, উত্তরাধিকার শর্তে আমার বাবার সম্পত্তি আমি এবং আমার বোন পাই। কিন্তু অন্য কেউ কিভাবে বিক্রি করে? আমি ২০১৪ সালে যখন জানতে পারি আমার চাচাতো ভাই ধলু সরদার আমাদের জমি বিক্রয় করেছেন, সেই থেকে আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে কোটে মামলা করি এবং আমার মামলা নম্বর T.S 117/14, আমি প্রশাসনের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করছি ও তদন্তপূর্বক এটার সঠিক বিচার চাই।










