
মোঃ শামীম খন্দকার,কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
খোকসা – কুমারখালী তথা কুষ্টিয়া অঞ্চলের জনপ্রিয় নেতা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ট সহকর্মী ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সাবেক সংসদ সদস্য, শহীদ গোলাম কিবরিয়ার বড় ছেলে, মরহুম আবুল হোসেন তরুন। (সাবেক সংসদ সদস্য) কুষ্টিয়া অঞ্চলে গনমানুষের কাছে মিয়াভাই নামে খ্যাত ছিলেন)। তিনি ১৯৭৫ এবং ১৯৮৬ সালে দুইবার সাধারন জনগনের ভোটে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে ৭৮/ কুষ্টিয়া-৪ খোকসা-কুমারখালী আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত ও ১৯৮৯ সালে কুমারখালী উপজেলা পরিষদ থেকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন । তিনি জীবনদ্বশায় বহু সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে জরিত ছিলেন।
ব্যাক্তি রাজনীতি,সার্থের রাজনীতিকে বিসর্জন দিয়ে তিনি নিজেকে গড়ে তুলেছিলেন জনতার নেতা হিসেবে। তাইতো দলমত নির্বিশেষে সকলের হৃদয়ে ছিলো তার প্রতি ভালোবাসা। তার বাবা ছিলেন বঙ্গবন্ধুর সহযোদ্ধা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। ঠিক সেইভাবেই, বঙ্গবন্ধু ও তার পিতার আদর্শেই নিজেকে গড়ে তুলেছিলেন। কথায় আছে কীর্তিমানের মৃত্যু নেই,তার জন্যই হয়তো আজও মরহুম আবুল হোসেন তরুন। (সাবেক সংসদ সদস্য) সাহেবের নাম এখনো মানুষের মুখে মুখে। একটা মানুষ কতটা ভালো হলে মৃত্যুর এতটা বছর পরও মানুষ তাকে ভালোবেসে স্বরণ করে। তিনি ১৯৯৭ সালের (৯ই মার্চ) এই দিনে মৃত্যুবরন করেন।
মৃত্যুকালে তিনি তার স্ত্রী, ও দুই পুত্র সন্তান রেখে গিয়েছিল। তার সহধর্মিনী বেগম সুলতানা তরুন ২০০৮ সালে ৭৮/ কুষ্টিয়া-৪ খোকসা-কুমারখালী আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এবং বর্তমান তার মেজ ভাইয়ের ছেলে, কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা- কুমারখালী) মাননীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ(এম.পি)। মরহুম আবুল হোসেন তরুন। (সাবেক সংসদ সদস্য) সেই মহানব্যাক্তির ২৬ তম মৃত্যু বার্ষিকী গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্বরণ করি। তার আদর্শ অনুপ্রেরণা আজও কুষ্টিয়া-কুমারখালী বাসিকে উৎসাহ যোগায়।













