
তারেক রহমান প্রিন্স,স্টাফ রিপোর্টার বাউফল পটুয়াখালী
পটুয়াখালী বাউফল উপজেলার ১৩২ নং আড়াইনাও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জায়গা দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে ওই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এ এফ এম ফরিদউদ্দিন’র বিরুদ্ধে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম নিয়েও ব্যাপক বিতর্ক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে।
অভিযোগ রয়েছে, স্কুলের সীমানা নিয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ জাকির হোসেনের সাথে স্থানীদের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত ঝামেলা চলছে। একাধিকবার স্কুলের জায়গা সীমানা নির্ধারন নিয়ে স্থানীয় ভাবে শালিসি হলেও সঠিকভাবে এখনও কোন সমাধান হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় কতিপয় ভুক্তভোগীরা জানান, প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) জাকির হোসেন নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করার জন্য ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির কাছ থেকে অর্থের বিনিময়ে স্কুলের জায়গা দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করছে এমনটাই অভিযোগ উঠেছে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে।
প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) জাকির হোসেন বলেন, স্কুলের জায়গা দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ এটা সম্পূর্ণ সত্য না। দলিল সুত্রে স্কুলের জমি প্রায় ৫২ শতাংশ। খতিয়ান ১৭৪ এর ৪৮৪- দাগে ১৭ শতাংশ এবং ৪৮৩ নং দাগে ৪ শতাংশ জমি রয়েছে। অপরদিকে, খতিয়ান ১৭৫ এর ৪৮৩ নং দাগে ১২ শতাংশ এবং ৪৮৪ নং দাগে ১৯ শতাংশ জমি স্কুলের দখলে রয়েছে।তবে, স্কুলের জায়গায় যদি কোন দোকান ঘর উঠে থাকে তাহলে খুব শিগগিরই ম্যানেজিং কমিটির সমন্বয় মিটিং ডেকে সমাধান করবো।
কমিটির সভাপতি এ এফ এম ফরিদউদ্দিন বলেন, ওই স্কুলের জায়গা আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি। স্কুলের উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমরা দান করেছি। স্কুলের কোন জায়গা অবৈধভাবে দখল করে দোকান ঘর তুলিনি।তাছাড়া স্কুলের উন্নয়নে কোন ক্ষতি হোক সেটা আমরা কখনও করবো না।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার আতিকুল ইসলাম বলেন, স্কুলের সরকারি জায়গা দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করার কোন সুযোগ নেই। আমরা এ বিষয় কেবলমাত্র আপনার মাধ্যমে খবর পেলাম।ইতিমধ্যে সহকারী শিক্ষা অফিসার ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। অতিদ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আল-আমীন বলেন,সরকারি জায়গা দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করার কোন সুযোগ নেই। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।













