
প্রসেনজিত বড়ুয়া,উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
ঘূর্ণিঝড় মোখার আঘাতের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে কক্সবাজার – টেকনাফ। আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে সর্বশেষ পাওয়া তথ্য মতে বর্তমানে কক্সবাজারে ১০নং মহাবিপদ সর্তক সংকেত দেখানো হয়েছে। সচেতন করার জন্য মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন প্রশাসন সহ বিভিন্ন সংগঠন ও এনজিও সংস্থাগুলো এবং স্থানীয় নেতারা।
কক্সবাজার সদরে বিশেষ করে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটক না নামতে নিষেধ করেছে কতৃপক্ষ কিন্তু পর্যটকদের টনক নড়ে নাই এমনকি উল্টো পানিতে নেমে গোসল করতেও দেখা মিলেছে কিছু পর্যটকদের সেসাথে প্রশাসনও জোরালো ভাবে সচেতন সহ নানান নিষেধ করলেও পর্যটকরা চোর পুলিশের মতো করে সমুদ্র সৈকতে নামতে মরিয়া। অন্যদিকে কক্সবাজার সদর সহ গোটা জেলাতে আশ্রয়কেন্দ্র গুলো প্রস্তুত রেখেছে এবং শুকনো খাবার, পানি সবগুলোর ব্যবস্থা করে রেখেছে।
কক্সবাজার সদরের এমপি সাইমুম সরওয়ার কমল নিজে মাইকিং করে সবাইকে সচেতন করেছে এবং নানান ভাবে করে যাচ্ছে সেসাথে কক্সবাজার সদরে আশ্রয়কেন্দ্র গুলো প্রস্তুত রেখেছে। সেসাথে কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সদ্য বিদায়ী মেয়র মুজিব রহমান আশ্রয়কেন্দ্র গুলোতে নিজে গিয়ে সার্বিক খোঁজখবর নিচ্ছে এবং পাশে দাঁড়াচ্ছে।
অন্যদিকে কক্সবাজার জেলায় প্রতিটি ইউনিয়নে আশ্রয়কেন্দ্র গুলো প্রস্তুত রেখেছে এবং সার্বিক সবকিছুর পূর্ব প্রস্তুতিও রেখেছে। এবং সেসাথে বর্তমানে দেশের মানবতার ফেরিওয়ালা যাকে বলে সেই রাউজানের ফারাজ করিম চৌধুরী টেকনাফে অবস্থান করছে এবং তিনি কক্সবাজার বাসীর পাশে দাঁড়াতেই এখানে অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছেন।













