
নিখিল বিশ্বাস,স্টাফ রিপোর্টার খোকসা কুষ্টিয়া
সুশিক্ষা নিশ্চিত করে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা অপরিহার্য। তারই অংশ হিসেবে গরীব মেধাবী এক শিক্ষার্থীর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ব্যবস্থা করলেন খোকসার মানবিক ইউএনও রিপন বিশ্বাস।
খোকসা থেকে প্রকাশিত একমাত্র সাপ্তাহি দ্রোহ পত্রিকার অনলাইন ভার্ষণে “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চিত মেধাবী রাজিয়ার” শিরোনামের সংবাদটি প্রকাশিক হওয়ার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন বিশ্বাসের দৃষ্টি গোচর হয়। তিনি পত্রিকা অফিসে ফোন করে ছাত্রীটির পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেন। সোমবার দুপুরে মেধাবী রাজিয়া ও তার বাবা আব্দুর রাজ্জাকে নিজের দপ্তরে নিয়ে আসেন।
এসময় তিনি মেধাবী রাজিয়া সুলতানাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১০,০০০ হাজার টাকার একটি অনুদানের চেক প্রদান করেন। ভর্তির ব্যবস্থা হওয়া শিক্ষার্থী রাজিয়া সুলতানা কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার পাইকপাড়া মির্জাপুর গ্রামে হতদরিদ্র কাঠ মিস্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক ও সেলিনা খাতুন দম্পতির মেয়ে। রাজিয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সি ইউনিটে মেধা তালিকায় ৯১৫ তম স্থান অধিকার করে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।
রাজিয়া সুলতানা জানান, সে ২০২০-২১ শিক্ষা বর্ষে আলহাজ্ব সাইদুর রহমান মন্টু মহিলা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছে।
প্রথম শ্রেণি থেকে সব ক্লাসে তার রোল ছিল এক। পঞ্চম, অষ্টম ও এসএসসিতে কৃতিত্বে সাথে জিপিএ ৫ সহ পাশ করেছে।
বর্তমানে চলতি শিক্ষা বর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সি ইউনিটে মেধা তালিকায় ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে। সে আরো জানায়, তার বাবা একজন কাঠ মিস্ত্রী। তার একমাত্র ছোট ভাই রেজাউল ইসলাম রাজু পড়ালেখা করে ঝিনাইদহ পলিটেকনিক্যাল ইনিষ্টিটিউটে। দুই সন্তানের লেখাপড়ার ব্যয় চালাতে চরম টানাপরনের মধ্যে পরেন কাঠ মিস্ত্রী বাবা রাজ্জাক।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিপন বিশ্বাস এর প্রতিকৃতজ্ঞতা জানিয়ে রাজিয়া সুলতানা বলে এই টাকায় আমার ভর্তির ব্যবস্থা হয়ে যাবে। তাছাড়া আমি ভর্তি না হতে পারলে অকালে ঝরে পড়তাম।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিপন বিশ্বাস বলেন, এটা আমাদের কর্তব্য। অসহায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাড়ানোর। মেয়ের স্বপ্ন পূরণের ব্যবস্থা করে দেওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিপন বিশ্বাস এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন রাজিয়া সুলতানার বাবা আব্দুর রাজ্জাক।













