
মো. তৌফিকুর ইসলাম,বিশেষ প্রতিনিধি আমতলী বরগুনা
আমতলী উপজেলা অন্তত আমতলী ইউনিয়ন এর ছোট নীলগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে এক অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও তাঁর পরিবারকে হয়রানি করছে, প্রতিবেশী মো. মোশারেফ ও তার সহযোগীরা এমনটাই অভিযোগ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মতিউর রহমান এর।
ওই অবসরপ্রাপ্ত প্রদান শিক্ষক মতিউর রহমান উপজেলার মাইঠা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক ছিলেন ২০১৭ সালে তিনি অবসর গ্রহণ করে। ও মো. আনোয়ার ইসলাম সহকারি অধ্যাপক পশ্চিম চিলা আমিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসা। মামলা সূত্রে জানা যায় মো. মোশারেফ হাং (৩৮), পাশা হাং (৪২), রুস্তম আলী হাং (৬৫), শিল্পী বেগম (৪০), আখিনুর বেগম (৩৪) আসামির অত্যন্ত দুস্যু, দাঙ্গা, হাঙ্গামাকারী কোন শালীস ব্যবস্থা ও আইন-কানুন মানে না। আমতলী উপজেলার অন্তর্গত জে.এল ৫১নং চলাভাঙ্গা মৌজার এস.এ খতিয়ান নং ১৯১,দাগ নং-২৫৯১/২৫৯৭। উক্ত দাগগুলি দিয়া আইল সীমানা চিহ্নিত করিয়া আমরা ভোগ দখল করে আসছি। উক্ত দাগ দুইটির পশ্চিম পার্শ্ব দিয়া আসামীরা আমাদের জন্মানো ১-০০ একর জমির পাকা ২৩-ইরি ধান জোরপূর্ব কাটিয়ে নেয়। বিষয়টি নিয়ে মো.মতিউর রহমান আদালতের দ্বারস্থ হন যার বিচার কাজ চলমান। এর জের ধরে নানান সময় তারা আমাদের দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ভয় ভীতি ও খুন যখন করিবার হুমকি দিয়ে থাকে।
প্রতিবেশী মো. কাদের শিকদার বলেন মোশারেফ হাং, পাশা হাং সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে এই শিক্ষক পরিবারকে হয়রানির উদ্দেশ্যে বহু সময় মামলা হামলা সহ নানান ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। মো. আনোয়ার ইসলাম সহকারি অধ্যাপক পশ্চিম চিলা আমিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, তিনি বলেন তিনি জুলুম নির্যাতনের শিকার সঠিকভাবে তিনি নিজেদের কর্তব্য নির্বাহ করতে পারছে না। তিনি বলেন আমি আমার পরিবারবর্গ নিয়ে তিনি শান্তিতে বসবাস করতে চাই এর জন্য আমি যত কর্তৃপক্ষের কাছে এর সঠিক ক্লান্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাবি জানান।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.আরিফুর ইসলাম বলেন অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।













