
আব্দুর রহীম হাজারী,ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপজেলা প্রতিনিধি:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের শিলাউর গ্রামের বাসিন্দা ও সোনালী লাইফ ইন্সুইরেন্স, রাধিকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার ম্যানাজার এম নাসির দীর্ঘদিন ধরে গ্রামের শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, বিভিন্ন কলা কৌশল অবলম্বনের পাশাপাশি গ্রাম ও ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ রাখছেন এমনকি গত ৫ জানুয়ারি ২০২২ এর নির্বাচনে নিজেও সুলতানপুর ইউনিয়ন ৭ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন,
কিন্তু বিজয় লাভ করতে পারেন নাই,
এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার দীর্ঘ দিনের চেষ্টা ও নির্বাচনে নেওয়ার পরে তিনি নিজের অভিজ্ঞতা নিজ টাইমলাইনে শেয়ার করেন।
যা নিম্নে উল্লেখ করা হলো।
ওফ অসহ্য! ভাবতেই ঘাবড়ে যাই। গ্রাম্য দলাদলি, গ্রাম্য রাজনীতির সাপোর্ট। দলের কিংবা ব্যাক্তির সাপোর্ট সমর্থন করা কতটা ভয়ংকর সেটা আমার চেয়ে ভালো জানার কথা নয়!
চরম অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। এসব করে নিজের অথবা পরিবারের অভাব অনটনই আনা যাবে বরং ভালোকিছু হবার নয়। সাথে ফ্রীতে শতশত অজানা শত্রুর চোখরাঙানি দেখেছি।
রাজনীতির নামে লোখেমুখে চামচামির বহিঃপ্রকাশ ছাড়া কিছুই ভাগ্যে ঝুটে নাই। পাঁচ/সাত বছর বিশেষ ব্যক্তিবর্গের রাজনৈতিক সাপোর্ট সমর্থন ছিলাম। এতে জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল করে ফেলেছিলাম।
আল্লাহ রহমত করেছেন বলেই ফিরে এসেছি এসব থেকে। মনে হয় নতুন জীবন ফিরে পেয়েছি। নির্বাচনে অংশ না নিলে এখনো অন্ধকারেই থাকতে হতো! বুঝতেই পারতামনা রাজনীতির ধোঁকাবাজিটা কি, এবং কত প্রকার?
তাই আমি আমার সকল বন্ধুবান্ধবদের বলবো এসব ধোঁকাবাজ এবং ধোঁকাবাজির রাজনৈতিক সাপোর্ট সমর্থক হয়েন না। এক পয়সার কোনো কাজে আসবেনা। জীবন এবং সময়ের অনেক মূল্য আছে। ভাউতাবাজির রাজনীতির পিছনে সেই সময়টা নষ্ট করিয়েন না।
আসল কথা হচ্ছে বেকার থাকলেই এসব করতে মন চায়। সেটা যদি কেউ মনে করেন বা ভাবেন! তাহলে নাসির ভাইকে স্বরণ করিয়েন। ঘর সংসার সহ নিজের চলাচলের জন্য যা-কিছু লাগে সেটার ব্যবস্থা যাতে করতে পারেন সেই চেষ্টা করবো, তবুও ধোঁকাবাজির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হয়েন না।
ভাতে মরতে অইবো সাথে অমুক ভাই তমুক ভাই বলে বলে জীবন শেষ করতে অইবো। ফলাফল, বেলা শেষে নাসির ক্যাডা অমুক তমুক ভাই চিনবেন না। মাঝেমধ্যে অনেকেরই দেখছি অমুক তমুক ভাইকে নিয়ে খুব নাচানাচি করছে। দিন শেষে মুড়ির খালি টিন নিয়ে ফিরতে হবেই
এটাই বাস্তব অভিজ্ঞতা













